৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

admin
প্রকাশিত জুলাই ১১, ২০১৯
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত

Manual2 Ad Code

 

Manual1 Ad Code

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ-
“জনসংখ্যা ও উন্নয়নে আর্ন্তজাতিক সম্মেলনের ২৫ বছর; প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন” এই স্লোগানে বিভিন্ন আয়ে মধ্য দিয়ে বিশ্ব জনগসংখ্যা দিবস পালিত হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র‌্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলণ কক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হয়েছে। জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক। সভার সভাপতিত্ব করেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুস সালাম।

Manual5 Ad Code

সভায় বক্তব্য রাখেন, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রওশন আরা বেগম, জেলার বিশিষ্ট চিকিৎসক ও দৈনিক চাঁপাই দর্পনের উপদেষ্টা ডা. ময়েজ উদ্দীন, বারোঘরিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়েরসহ অন্যান্যরা। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) তাজকির-উজ-জামান, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন, শিবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, গার্ল গাইড নেতা ও সনাক সদস্য গৌরি চন্দ্র সেতু, ঝিলিম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তসিকুল ইসলাম তসিসহ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ ও শিক্ষার্থীরা।

Manual2 Ad Code

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এ জেড এম নূরুল হক বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে প্রায় ১৭ কোটি। শুনতে একটু অবাক লাগলেও এটিই বাস্তবতা। বর্তমান সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও শিক্ষার হার বৃদ্ধির কারনে আগামী দিনে জনসংখ্যা আর বাড়বে না, তা এখন কমবে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে, যেমন জাপানে প্রতিবছর জনসংখ্যা কমে। এটি সম্ভব হবে আমাদের দেশের সঠিক পরিকল্পনার জন্য, কারন এতে দেশের মানুষ আরও বেশি সচেতন ও উচ্চ শিক্ষত হচ্ছে।
আলোচনা সভা শেষে বিশ্ব জনসংখ্যা উৎযাপন উপলক্ষে পরিবার পরিকল্পনা এবং মা ও শিশুস্বাস্থ্য কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য বিভিন্ন কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে পুরস্কিত করা হয়।