১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব আয়ারল্যান্ডে, বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

Editor
প্রকাশিত মার্চ ৩, ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব আয়ারল্যান্ডে, বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

Manual3 Ad Code

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাব আয়ারল্যান্ডে, বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক হামলার প্রভাব আয়ারল্যান্ডে পড়তে শুরু করেছে। প্রতিদিনই বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। আমদানি নির্ভর দেশটি এই প্রভাব অনুভব করছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য এবং শেয়ারবাজারেও। এ কারণে উদ্বিগ্ন স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

Manual2 Ad Code

গত সপ্তাহেও আয়ারল্যান্ডে ডিজেল ও পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি গড়ে ১ ইউরো ৬৮ সেন্ট থেকে ১ ইউরো ৭৩ সেন্টের মধ্যে ছিল। কিন্তু শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার পরদিন শনিবারই দাম বেড়ে দাঁড়ায় ১ ইউরো ৭৫ সেন্টে। রোববার তা আরও বেড়ে ১ ইউরো ৭৮ সেন্ট ছাড়িয়ে যায়।

Manual6 Ad Code

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংঘাত দীর্ঘ হলে মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়বে এবং এর সরাসরি প্রভাব পড়বে পারিবারিক বাজেটে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল, যা এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নতুন যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘ হলে জীবনযাত্রার ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

Manual4 Ad Code

গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যাপিটাল ইকোনমি বলছে, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়লে মুদ্রাস্ফীতি ০.৫ থেকে ০.৭ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।

আয়ারল্যান্ডে ব্যবহৃত সব ধরনের তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের জন্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল। দেশটি বছরে গড়ে প্রায় ৫৮ মিলিয়ন ব্যারেল তেল আমদানি করে। তাই বৈশ্বিক বাজারে সামান্য অস্থিরতাও স্থানীয় বাজারে সরাসরি প্রভাব ফেলে।

Manual6 Ad Code

প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলছেন, আয়ারল্যান্ডে প্রতিদিনই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে, যা তাদের জন্য উদ্বেগজনক। এইভাবে দাম বাড়তে থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামও বেড়ে যাবে। এতে প্রবাসী ও সাধারণ মানুষদের জীবনযাত্রা আরও ব্যয়বহুল হয়ে উঠবে।

বিশ্লেষক ও সাধারণ মানুষ বলছেন, যুদ্ধ কখনোই শান্তি বয়ে আনে না। কোনো দেশের অবকাঠামো, সম্পদ ও অর্থনীতি ধ্বংস হলে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। তাই শুধু আয়ারল্যান্ড নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান করা হচ্ছে।