সিলেট অফিস :- অভিযোগ নং ২৮৮/১৯ এর আলোকে মোঃ-চুনু মিয়া পিতা মৃত-এরফান আলী, সাং-কর্মদা পোঃ-সারকারখানা থানা-ফেঞ্চুগঞ্জ জেলা-সিলেট।২য় পক্ষ ১। এম এ সালাম ২। বিনা বেগম ৩। কালাম মিয়া উভয় পিতা-মৃত আঃ রাজ্জাক ৪। কুহিনুর বেগম স্বামী: আঃ জলিল সর্বসাং- কর্মদা পোঃ-সারকারখানা থানা-ফেঞ্চুগঞ্জ জেলা-সিলেট।
এর বিরুদ্ধে ভূমি আত্ত্বসাত ও জোর পূর্বক ভূমি দখলের অপচেষ্টায় লিপ্ত মর্মে নির্যাতিত চুনু মিয়া আবেদন করলে সংস্থা কতৃক স্থানীয় ভাবে বিষয়টি যাচাই বাচই পূর্বক প্রাথমিক ভাবে ঘটনার বিবরণ সত্যথা পাইলে সরজমিন পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। যে কারনে গত ০৪/০৯/২০১৯ইং তারিখে সংস্থার সিলেট বিভাগীয় সাধারন সম্পাদকের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের মানবাধিকার পর্যবেক্ষন দল সরজমিন পরিদর্শনে করেন ।
পরিদর্শন কালে আশপাশ নিরপেক্ষ ব্যক্তিবর্গের সাথে আলাপা আলোচনা করে এবং সু-নিদৃষ্ট ৪ জনের মোখিক জবানবন্দি গ্রহন করা হয়। যথা- ১। মান্নান মিয়া পিতা: মৃত তবারক আলী ২। আকবর আলী পিতা: মৃত ইব্রাহিম আলী ৩। জাহানারা বেগম স্বামী: দুদুুু মিয়া ৪। দিলাল মিয়া পিতা: মৃত উছমান আলী- সর্বসাং কর্মদা গনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে আবেদনকারী চুনু মিয়া শান্তিপূূর্ণ ভাবে বসবাস করিয়া আসিতেছিলেন ।
গত ১৯/০৩/১৭ইং তারিখে আবেদনকারী ও তার বৈধ শরিকান সামিলে ভিন্ন দাগের ৯ শতক ভূমি সাফ কাবালা দলীল মূলে বিক্রয় করে দখল সমজাইয়া দেওয়া হয় ১নং বিবাদী এম এ সালামকে। এর মধ্যে উভয়ই স্ব স্ব ভূমিতে শান্তির্পূণ ভাবে বসবাস করিতেছিলেন।
সাম্প্রতিক কালে পূর্বের শত্রুতার জোর ধরে সম্পুর্ন অন্যায় ও ব্য-আইনি ভাবে সন্ত্রাসি কায়দায় তার ভূমি আনুমানিক ৪ শতক তার কাঠার বেড়া দেয় এবং নিরিহ আবেদন কারী চুনু মিয়াকে নানা ভাবে হয়রানী করতে থাকে বিষয়টি সংস্থার অফিসে শালিসের মাধ্যমে মিমাংসা কারার চেষ্টা করি কিন্তু আবেদনকারীর প্রতিপক্ষ গন উগ্র ও আইনের প্রতি অশ্রদ্বাশীল হওয়ায় এমনকি সংস্থাকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা না করায় অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়টি আপোসে মিমাংসা করা সম্ভব হয় নাই।