৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

অযত্ন – অবহেলায় বিলীন হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী উপেন্দ্র সরোবর দিঘি

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
অযত্ন – অবহেলায় বিলীন হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী উপেন্দ্র সরোবর দিঘি

Manual2 Ad Code

অযত্ন – অবহেলায় বিলীন হতে চলেছে ঐতিহ্যবাহী উপেন্দ্র সরোবর দিঘি।

Manual7 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার নাগরপুর (টাঙ্গাইল):-উপেন্দ্র সরোবর টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুরে অবস্থিত একটি পর্যটন এলাকা। এটি স্থানীয়ভাবে ‘১২ ঘাটলা দীঘি’ নামে পরিচিত। এ উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগের একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র এটি। এছাড়া বিভিন্ন জেলার ভ্রমণ পিপাসুরা আসেন এখানে। মৎস্য শিকারীদের জন্য এখানে মৎস্য শিকারের ব্যবস্থা রয়েছে। উপেন্দ্র সরোবরের প্রধান প্রবেশদ্বার পশ্চিম পাড়ে রয়েছে।
কথিত আছে কোন এক জ্যোৎস্না রাতে প্রজাদরদী মানবতাবাদী জমিদার রায় বাহাদুর তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে বৈঠকখানার বাহিরে প্রাণ ভরে জ্যোৎসা দেখছিলেন। এমন সময় দেখতে পান অদুরে বিল থেকে কতিপয় অজ্ঞাতনামা কুলশীল মহিলা কলসী নিয়ে জল নিচ্ছে। তিনি দৃশ্যটি দেখে কৌতুহল বশতঃ তখনই খবর নিয়ে জানলেন এলাকার অনেকেই সুপেয় পানির অভাবে রাতে বিল থেকে খাবার পানি সংগ্রহ করে। বিষয়টি তাঁর মনে খুবই কষ্ট দেয় এবং প্রজাদের এই অমানবিক কষ্ট মোচনের লক্ষ্যে জমিদার রায় বাহাদুর পরের বছরই ১৩৬৮ সালে বিহার থেকে দিঘি খনন বিশেষজ্ঞ এনে মোট ১১ একর জায়গায় সুদৃশ্য এই দিঘি খনন করেন। জনগনের সুবিধার্থে দিঘির চারদিকে সুপ্রসস্ত ১২টি ঘাটলা এবং এখানে সারা বছর স্বচ্ছ পানি নিশ্চিত করার জন্যে ৬টি সুগভীর ইন্দারা (কুয়া) খনন করা হয়। এছাড়া নৈসর্গিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্যে দিঘির চারপাশে লাগানো হয় সুদৃশ্য খেজুর গাছ।
বর্তমানে এর বেহাল অবস্থা। কচুরিপানা আর বিভিন্ন প্রজাতির আগাছায় এটি একটি গ্রামীণ পুকুরের আকার ধারণ করেছে। এলাকাবাসী তথা নাগরপুর উপজেলার জনসাধারণের প্রাণের দাবী “সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ” যেন এই ঐতিহ্যবাহী জায়গাটিকে পূনরায় সংস্করণ ও সৌন্দর্য বর্ধন করেন।

Manual1 Ad Code