কলাপাড়ায় পানি নিস্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় ২০টি পরিবার পানি বন্দী
স্টাফ রিপোর্টার:
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় প্রভাবশালী একটি মহলের সরকারি খাষ জমি কেটে ঘেরে পরিণত করায় এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ২০ টি পরিবারকে ২৪ ঘন্টাই পানি বন্দী হয়ে থাকতে হচ্ছে। উপজেলার ৫নং নীলগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ফতেহপুর এলাকার মৃত্যু এনায়েত হোসেনের ছেলে আঃলতিফ মাস্টার ও দেলোয়ার আকণের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা গেছে, আজ থেকে প্রায় ৬ মাস পূর্বে আব্দুল লতিফ মাস্টার সরকারি জমিতে একটি ঘের কেটে থাকেন। এবং পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়। যার কারণে বর্তমানে ২০ টি পরিবার পানি বন্দী হয়ে আছে। ঝুঁকিতে পড়তে হয়েছে ছোট্ট বাচ্চাসহ বৃদ্ধাদের নিয়ে। এতে দেখা দিয়েছে এলাকার মানুষের মাঝে পানি জনিত নানাধি রোগ। সংবাদ কর্মীদেরকে দেখে নেমে এসেছে সাধারণ মানুষের অভিযোগের ঢল। পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি দেখার যেনো কেউ নেই। কোনো অভিযোগ কাজে আসছে না তাদের।
এবিষয়ে একাধিক ব্যাক্তি অভিযোগ করে বলেন,আঃলতিফ মাস্টারের ঘেরের কারণে আজ আমরা মরতে বসেছি। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে সব সময় আতংকে সময় কাটাচ্ছি। আমাদের এই পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থাটি চালু হলে আমরা অনেকটা উপকৃত হলো। এবিষয়ে আমরা মেম্বার চেয়ারম্যানকে অবগত করেছি কিন্তু তা কোনো কাজে আসেছি।
এবিষয়ে ইউপি সদস্য আঃরব হাওলাদার জানায়, ওই ঘেরের কারনে বর্তমানে বেশ কয়েকটি বাড়ি পানি বন্দী হয়ে আছে। আগামী শনিবারের ভিতরে আমরা এটার সমাধান দেয়ার চেষ্টা করবো। নীলগঞ্জ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এ্যাড.নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, এবিষয়ে আমরা অভিযোগ পেয়েছি। আমি অসুস্থতার কারণে ওখানকার ইউপি সদস্যকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে এলাকার মানুষকে পানি বন্দী হয়ে থাকতে না হয় সে ব্যবস্থা করা হবে।