৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

শেরপুরে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ,অপপ্রচার বন্ধ ও আইনী সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

admin
প্রকাশিত মে ৭, ২০২১
শেরপুরে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ,অপপ্রচার বন্ধ ও আইনী সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

Manual1 Ad Code

শেরপুরে নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ,অপপ্রচার বন্ধ ও আইনী সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন

 

Manual3 Ad Code

 

মোঃতারিফুল আলম তমাল,শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ

Manual2 Ad Code

শেরপুর শহরের চকবাজার শহীদ মিনারে নাগরিক সংগঠন জনউদ্যোগের আয়োজনে ৬মে বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ,অপপ্রচার বন্ধ ও আইনী সুরক্ষার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ শেরপুর জেলা শাখা,

ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট এন্ড ডেভেলপমেন্ট (আইইডি), নারী রক্তদান সংস্থা, শেরপুর জেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সংস্থা, শেরপুর জেলা হিজরা কল্যাণ সংস্থা, শেরপুর জেলা বর্মণ ছাত্র পরিষদ, হিউম্যান রাইটস ডিফেন্ডার ফোরাম (এইচআরডি) অংশগ্রহণ করে। শেরপুর জেলা জনউদ্যোগ আহবায়ক আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় ও শেরপুর জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নীরু শামসুর নাহারের সভাপতিত্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শরিফুর রহমান,

শেরপুর সদর উপজেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি সোলায়মান আহমেদ, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ শেরপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আইরিন পারভীন, শেরপুর ডিসট্রিক্ট ডিবেট ফেডারেশন (এসডিডিএফ) এর সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ চৌধুরী শৈবাল, আইইডির আইপি ফেলো আদিবাসী নেতা সুমন্ত বর্মণ, নারী রক্তদান সংস্থার সভাপতি প্রতিভা নন্দী তিথি প্রমুখ।বক্তারা সম্প্রতি বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর কর্তৃক নিগৃহীত মোসারাত জাহান মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাল।

Manual1 Ad Code

সঠিক তদন্তের মাধ্যমে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা দ্রুত উদঘাটন করে জড়িতদের দ্রুত শাস্তির নিশ্চিত করার দাবি জানান। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এমন অকাল মৃত্যুতে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। একই সাথে তারা মামুনুল হকদের মতো ভন্ড ধর্ম ব্যবসায়ী কর্তৃক নারী নিগ্রহেরও সঠিক বিচারের দাবি জানাল।

Manual1 Ad Code

বক্তারা আরো বলেন, শুধু আনভীর বা মামুনুল নয় এধরণের যত নারী নিগ্রহকারী, নারী নির্যাতনকারী রয়েছে তাদের সকলের কঠোর বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সাথে সামাজিক ও পারিবারিক সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে যেন আর কোন নারী এমন সহিংস ঘটনার শিকার না হয়।