৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

পোরশায় রাতের আধারে কীটনাশক প্রয়োগ করে নষ্ট করেছেন তিন বিঘা জমির ধান

admin
প্রকাশিত আগস্ট ২১, ২০২০
পোরশায় রাতের আধারে কীটনাশক প্রয়োগ করে নষ্ট করেছেন তিন বিঘা জমির ধান

Manual7 Ad Code

 

নওগাঁ প্রতিনিধিঃ নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার ঘাটনগর ডাল মনিপাড়া গ্রামের মোঃ আবুল কাশেম মাস্টারের প্রায় তিন বিঘা জমির ধান কীটনাশক প্রয়োগ করে নষ্ট করে দিয়েছে সন্ত্রাসিরা।

 

Manual6 Ad Code

গত ১৫ অগাস্ট ২০২০ তারিখ দিবাগত রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অত্র আবুল কাশেম মাস্টারের তিন বিঘা জমির ধান কীটনাশক প্রয়োগ করে নষ্ট করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

মোঃ খাইরুল ইসলাম ঘটনার পূর্বে রাত্রে তার বাড়ির জানালায় রাত বারোটার সময় উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে বসে থাকেন দেখতে পেয়ে মাস্টার সহ তার ছেলেরা তাকে ধরার বৃথা চেষ্টা করে।

 

সেখান থেকে পালিয়ে যায় সকালে তাকে জিজ্ঞেস করলে সে বিষয়টি অস্বীকার করে এবং তার নামে মামলা করতে চাইলে সে মাষ্টারকে তার ক্ষতি সাধনের হুমকি দেয়।

 

Manual1 Ad Code

১৫ অগাস্ট ২০২০ তারিখে তাঁর কথামতো ঠিকই জমিতে গিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ রত অবস্থায় প্রত্যক্ষদর্শী উক্ত গ্রামের মোঃ সেলিম হোসেন ও কাশেম মাস্টারের ছেলে দেখতে পায়।

 

অবসরপ্রাপ্ত কাশেম মাস্টার উল্লেখ করেন ৬০ থেকে ৭০ মণ ধান যার মূল্য ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকা তার ক্ষতি। অসহায় ভাবে সে তার ছেলে মেয়েদেরকে কি খাওয়াবেন কিভাবে তার সংসার পরিচালনা করবেন। তিনি এ ব্যাপারে পোরশা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

 

গ্রামবাসীদের কাছে জানতে চাইলে মোঃ খাইরুল ইসলাম একজন দুষ্কৃতিকারী ইতোপূর্বে তিনি এরূপ ঘটনা আরো ঘটিয়েছেন বলে গ্রামবাসীরা
সাংবাদিকের কাছে জানায়। তারা আরো বলেন খাইরুলের জন্য গ্রামবাসীরা বিভিন্নভাবে অতিষ্ঠ।

Manual7 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

উক্ত গ্রামের মহিলারাও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জানান খাইরুল আমাদের বাড়ির জানালায় রাতের বেলা উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে ও বসে থাকেন এ ব্যাপারে তার সঙ্গে কথা বললে তিনি তাঁর ক্ষতির হুমকি দিতে থাকেন আর বিভিন্ন গাছের আম কাঁঠাল চুরি ও করা ছাড়াও এমন কোন কাজ নেই যা সে পারেনা।

এ ব্যাপারে উক্ত গ্রামের আবু তহা নামক এক ব্যক্তির ক্ছে জানতে চাইলে তিনি ও তার কথা ভালো বলেন না তিনি একজন দুষ্টু প্রকৃতির লোক নারীলোভী এবং উক্ত গ্রামের বিভিন্ন ধরনের মহিলাদের উত্তপ্ত করার মত ঘটনা একাধিক বার ঘটিয়েছে যা অনেকেই মান সম্মানের কারনে মুখ খোলেনি।