শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি :
আসন্ন আগামী ডিসেম্বর মাসে পৌর নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হিসেবে পৌরবাসীর দোয়া ও সর্মথন চেয়েছেন আলহাজ্ব এডভোকেট মোঃ হারুন অর রশীদ ফরিদ। তিনি শ্রীপুর পৌর এলাকার কেওয়া পশ্চিমখন্ড গ্রামের আলহাজ্ব মোঃ আব্দুল কাদির মাস্টারের ছেলে ও তার মায়ের নাম মৃত রোকেয়া বেগম এর গর্ভে ১৯৭২ সালে ১ জানুয়ারী জন্ম গ্রহন করেন।
তিনি ১৯৮৫ সালে মাধ্যমিক শিক্ষা জীবনে অধ্যায়ণরত অবস্থায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ ছাত্র লীগের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশ ।
১৯৯০ সালে বাংলাদেশ ছাত্র লীগ মাওনা চৌরাস্তা আঞ্চলিক শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় ভাওয়াল বদরে আলম সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ১৯৯২ সালে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সমাজ কল্যাণ সম্পাদক পদে সর্বোচচ ভোটে নির্বাচিত হয়, শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সদস্য পদ লাভ করেন ।
পরবর্তীতে শ্রীপুর উপজেলা শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন ।
শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের পর পর দুই বার সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন । ধানমন্ডি ল কলেজ থেকে এল্এল,বি ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ডিগ্রি লাভ করে আইন পেশায় সম্পৃক্ত হয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন ।
২০০১ সালে বিএনপি -জামায়াত ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগকে নিশ্চন্ন করার ষড়যন্ত্র হিসাবে তত্কালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী, বঙ্গবন্ধুর কন্যা, আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ত্রিশলক্ষ শহীদ পরিবার ও স্বাধীনতার পক্ষের একমাত্র আশা আকাঙ্ক্ষার ভরাস্থল গনতন্ত্রের মানষ কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ জাতীয় নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলার বিরূদ্ধে সোচ্চার হয়ে সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ, এডভোকেট সাহারা খাতুন, এডভোকেট মোঃ রহমত আলী, আব্দুল মতিন খসরু ও ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নুর তাপসের জুনিয়র আইনজীবী হিসাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যান।
এরপর ১/১১এর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কারারুদ্ধ করার পর যখন অনেক সিনিয়র আইনজীবী ও নেতৃবৃন্দ জীবন শংকায় শংকিত হয়ে নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে চলতেন তখন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিকুল হক, ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ ও এডভোকেট মোঃ রহমত আলী সহ সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে জুনিয়র হিসাবে বহূ প্রতিকূল পরিবেশে আইনি লড়াই চালিয়ে যান ।
মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়ে ও স্বাধীনতাকে বিব্রত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হওয়ায় শহীদ পরিবার ও জাতীর পক্ষ থেকে বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্র দ্রোহী মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন পাশাপাশি শ্রীপুর পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে পিয়ার আলী বিশ্ব বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের জনপ্রিয় সদস্য হিসাবে, ঐতিহ্যবাহী মাওনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে এলাকার শিক্ষার মানোন্নয়ন অব্যাহত রেখে চেলছেন ।
এছাড়াও এলাকার রাস্তা ঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে চলেছেন এ সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে এলাকার সাধারণ জনগণের আস্থার প্রতিক হিসাবে পৌরবাসী উনাকে মেয়র হিসাবে দেখতে চায় ।
এলাকার জনসাধারণের সাথে একাত্ব হয়ে শিক্ষিত ও কর্মঠ এই ব্যাক্তির পদায়ন সর্ব মহল প্রত্যাশা করে ।
ছাত্র রাজনীতির শেষে জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজম সাহেবের হাত ধরে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সহ-সম্পাদক হিসাবে রাজনীতিতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন ।
এমন বনার্ঢ সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবন বিবেচনায় সুধী মহল জনকল্যাণ কর যে কোন দায়িত্বে যোগ্য মনে করে শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র হিসাবে হারুন অর রশীদ ফরিদকে দেখতে চায় । তিনি সকলের দোয়া ও সর্মথন প্রত্যাশী।