টিপু সুলতান,ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ-
ভোলা সদর উপজেলার ১২ নং উওর দিঘলদী ইউনিয়নের গরীবের বন্ধু ও সমাজসেবক সফল চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মুনসুর । তিনি ভোলার তরুণ রাজনীতিবিদ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ভোলা জেলার পরিবেশ ও বন সংরক্ষক সম্পাদক ।
লিয়াকত হোসেন মুনসুর ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি ভোলা জেলার ঐতিহ্যবাহী মিয়াঁ পরিবারের সুলতান সিকদার পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন।
ভোলার তরুন প্রজন্মের যে কয়জন রাজনীতিবিদ আছে তাদের মধ্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন ভোলা জেলার পরিবেশ ও বন সংরক্ষক সম্পাদক ও উওর দিঘলদী ইউনিয়নের চেযারম্যান লিয়াকত হোসেন মুনসুর এদের মধ্যে অন্যতম।
কাজ করে যাচ্ছেন স্বাধীন ভাবে। নতুন প্রজন্মের অনেকেই মনে করেন লিয়াকত হোসেন মুনসুর ভবিষ্যতে ভোলার রাজনীতিতে একটি উল্লেখযোগ্য স্থানে আনতে সক্ষম হবেন। তিনি স্পষ্টভাষী। সমালোচনা করেন নির্দ্বিধায়, যৌক্তিকভাবে। কাউকে ছেড়ে কথা বলেন না তিনি।
লিয়াকত হোসেন মুনসুর সবসময় জনগণের খেদমতে নিয়োজিত থাকেন। বিপদ-আপদে ইউনিয়নের মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। শুধু তাই নয় ভোলা প্রতিটি মানুষের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়ান।
সরকারী অনুদান ছাড়া ও তিনি নিজ তহবিল থেকে অনেক কিছু দান করেন ইউনিয়নের গরীব,দুঃখী মানুষকে।
বর্তমানে করোনাভাইরাস যার রুপান্তরিত নাম কোভিড (১৯) সংক্রমণ রোধে ঘরে অবস্থানরত কর্মহীন দুস্থ পরিবারের মধ্যে সরকার যে পরিমাণ এাণ দিয়েছে তা দিয়ে ও উওর দিঘলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন মুনসুর নিজ তহবিল থেকে গরিব দুঃখীদের মাঝে খাদ্য দ্রব্য বিতরণ করেন।
এ পর্যন্ত তিনি ৫ থেকে ৬ বার নিজ পক্ষ থেকে এাণ দিয়েছেন ইউনিয়নের গরীব দুঃখী মানুষকে।
তার বাবা সুলতান সিকদার (মিয়াঁ)
রাজনীতি- চেয়ারম্যানের সূত্র ধরেই রাজনীতি ও চেয়ারম্যানের অভিষেক লিয়াকত হোসেন মুনসুরের। তবে অনেকেই মনে করেন, এরই মধ্যে জনপ্রিয়তায় তিনি অতিক্রম করে ফেলেছেন বাবাকেও। লিয়াকত হোসেন মুনসুরের সবচেয়ে বড় সফলতা তরুণদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা।
লিয়াকত হোসেন মুনসুর এস,এস,সি পাশ করেছেন ১৯৮৭ সালে ভোলা সরকারী স্কুল থেকে। এইচ,এইচ,ছি, অনার্স মাষ্টার পাশ করেন সরকারী কলেজ থেকে ১৯৮৯/১৯৯৩ সালে।
তার এ সহযোগিতা ও পরিশ্রম দেখে উওর দিঘলদি ইউনিয়নের গরীব দুঃখী ও সর্বস্তরের মানুষ ধন্যবাদ জানিয়েছন।