৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কমলগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক এর উপরে পরিবার পানিবন্দি শুকনো খাবার বিতরণ

admin
প্রকাশিত জুলাই ১৫, ২০১৯
কমলগঞ্জে নদী ভাঙ্গনে পাঁচ শতাধিক এর উপরে পরিবার পানিবন্দি শুকনো খাবার বিতরণ

Manual5 Ad Code

মোঃ মালিক মিয়া কমলগঞ্জ প্রতিনিধি।

Manual7 Ad Code

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের রামপাশা গ্রামের সার্বজনীন দুর্গা বাড়ির নিকটে। কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে। গত শুক্রবার রাতে এবং গতকাল ১৪ জুলাই রোজ রবিবার রাত দুইটার দিকে প্রায় ২০ ফুট জায়গা নিয়ে ধলাই নদীর নতুন করে প্রতি রক্ষা বাঁধ ভেঙে যায়। যার ফলে দুই দফা নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছেন এ ওয়ার্ড সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শত শত পরিবার।দুপুর দুইটার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় গ্রামের শফিউল্লাহর ছেলে সেলিম মিয়া টিনের বেড়া ঘরের ভিতরে প্রায় হাটু পানি রয়েছে। ভানুগাছ বাজারের ব্যবসায়ী মাখন দেবের বাড়ি সহ আশপাশে বসবাস কারী সবাই পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।এ এলাকার প্রায় শতাধিকেরও অধিক কুকুর ও মাছের ফিশারি সহ ধানি জমি রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির স্রোতে ভানুগাছ চৈতন্য গঞ্জ নারায়ণপুর সড়কের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বর্তমানে এ রাস্তায় যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। কয়েক ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে এ অঞ্চলের চাষাবাদকৃত ধানি জমি। গ্রামের সালমান মিয়ার কলাগাছ দিয়ে বানানো বেলায় চড়ে নদীর পাড়ে গিয়ে দেখা যায়। ভেঙ্গে যাওয়া স্থানের পাশে আরও ১শ দেড়শ ফুট জায়গা প্রতি রক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। পানি বৃদ্ধি পেলে রাতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ স্থানটি ভেঙে যেতে পারে বলে ধারণা করা গেছে। এদিকে পৌর এলাকার ৬ নং ওয়ার্ড ভানুগাছ বাজারে অবস্থিত চাঁদনী কমিউনিটি সেন্টারের পিছনে, শ্রীমঙ্গল শমশেরনগর সড়কের নতুন ব্রিজ নামক স্থানের পাশে কুমড়া কাপন গ্রামে প্রতিরক্ষা বাধের দুই জায়গায় এবং পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডের গোপালনগর গ্রামে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকতে দেখা গেছে। এবং স্থানীয় লোকজন ভাষের ঝুপঝাপ দিয়ে স্থানগুলো নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার চেষ্টা করছেন। এদিকে গতকাল বন্যাকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুর রহমান। এবং আজ ও গত কাল বিকালে পৌরসভার তান তহবিল থেকে বন্যার্তদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করতেও দেখা গেছে। এ বিষয়ে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র এর বক্তব্য জানতে চাইলে, কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জুয়েল আহমদ বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর বাঁধ ভেঙ্গে পৌরসভা একটি ওয়ার্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সহ আশপাশের কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে, আমরা দল মত নির্বিশেষে বন্যা কবলিতদের পাশে দাঁড়িয়েছি, বন্যার্তদের মাঝে সরকারি সহায়তা ও শুকনো খাবার বিতরণ অব্যাহত আছে। ঝুঁকিপূর্ণ স্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিষয়টি জেলা প্রশাসককে মহোদয় কে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে, এবং পানি কমার সাথে সাথে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে মেরামত কাজ আরম্ভ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Manual1 Ad Code