৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৮ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

কুষ্টিয়া করোনাভাইরাস আতঙ্কে চিকিৎসকরা সাধারণ রোগীও দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৫, ২০২০
কুষ্টিয়া করোনাভাইরাস আতঙ্কে চিকিৎসকরা সাধারণ রোগীও দেখা  বন্ধ করে দিয়েছেন

Manual6 Ad Code

মহিবুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

কুষ্টিয়ায় করোনাভাইরাস আতঙ্কে চিকিৎসকরা সাধারণ রোগীও দেখা প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন । একই অবস্থা সরকারি-বেসরকারি সব হাসপতালের । চিকিৎসা না পেয়ে ফিরতে হচ্ছে জরুরি অবস্থার রোগীদেরও । বিনা চিকিৎসায় গত পাঁচ দিনে জেলায় শিশু ও নারীসহ ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

Manual6 Ad Code

ভেঙে পড়েছে জেলার চিকিৎসা ব্যবস্থা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর ও বেসরকারি সব হাসপাতালেই একই অবস্থা হওয়ায়। জেলার সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবার একমাত্র ভরসা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালেও নিয়মিত বসছেন না চিকিৎসকরা। দু-চারজন যাও বসছেন তারাও ঠিকমতো রোগী দেখছেন না।

 

গত সোমবার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে গেলে দেখা যায়, হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসারের (আরএমও) কক্ষ বন্ধ। নিচে রোগীদের নিয়ে ছুটোছুটি করছেন স্বজনরা। পাশেই চিকিৎসকদের কক্ষগুলো খোলা থাকলেও ডাক্তার নেই রুমে। পুরো হাসপাতালে জরুরি বিভাগ ও অপারেশন থিয়েটারসহ ৫জন চিকিৎসকের দেখা মেলে। তাদের মধ্যে তিনজন রোগী দেখছিলেন।

 

হাসপাতাল সুত্রে জানা যায়, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এই হাসপাতালে ৫৮ পদের বিপরীতে ৩৪ জন চিকিৎসক রয়েছেন। তারা তিন শিফটে দায়িত্ব পালন করেন। এই হিসাবেও প্রতি শিফটে অন্তত ১১জন চিকিৎসক হাসপাতালে থাকার কথা।

 

শহরের স্বনামধন্য সনো হাসপাতাল, আমিন ডায়াগনিস্ট সেন্টার সেন্টার ও পপুলার ডায়াগনিস্টকে ৩ থেকে ৪জন করে চিকিৎসক অনিয়মিতভাবে রোগি দেখছেন ।

Manual3 Ad Code

 

কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন জানান, এটা শুধু কুষ্টিয়ায় নয়, সারা দেশেরই একই অবস্থা। তবে রোগী একদম দেখছেন না একথাও সঠিক নয়। আমি নিজেও আজ বেশ কয়েকটি ক্লিনিক ভিজিট করেছি। ডাক্তারের সংখ্যা কম থাকলেও সব ক্লিনিকেই চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আর বিনা চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনদের করা অভিযোগ সঠিক না।

 

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, পিপিই ছাড়া কোনো ডাক্তারই এখন রোগী দেখবে না। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত পিপিই নাই। তাই হাসপাতালে ভিজিট কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

 

তবে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আসলাম হোসেন জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ার ৬টি সরকারী হাসপাতালে ৬৫জন ডাক্তার প্রস্তুত রয়েছে। তাদের ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য পিপিই ও মাস্ক পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

Manual7 Ad Code