১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় নিরবে কাঁদছে, মধ্যবিত্ত মানুষ গুলো

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ১৩, ২০২০
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় নিরবে কাঁদছে, মধ্যবিত্ত মানুষ গুলো

Manual6 Ad Code

মোঃ নাজমুল হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

করোনার মরণ থাবার ভয়ে চরম বিপাকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার কর্মহীন ঘরবন্দী খেটে খাওয়া নিত্য আয়ের মানুষগুলো। এদের জমানো যে পুঁজি ছিল তাও এখন শেষ। এসব লোকজন না পারছে ঘর থেকে বের হয়ে কর্মে ফিরতে, না পারছে অন্যদের মতো ত্রাণের জন্য এদিক ওদিক ছুটতে। আয়-রোজগার বন্ধ থাকায় পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেক কষ্টে কাটছে এদের দিন।

Manual4 Ad Code

 

ঘরবন্দি পরিস্থিতি যত দীর্ঘ হচ্ছে এদের অবস্থা ততোই খারাপ হচ্ছে
। হতদরিদ্রদের নিয়ে ভাবলেও কর্মহীন এসব নিত্য আয়ের মানুষগুলোকে নিয়ে কেউ ভাবছেন না বলে জানান ভুক্তভোগীরা।

Manual1 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

ভান্ডারিয়ার সব স্থানেই রয়েছে নিত্য আয়ের মানুষের বসবাস। এদের মধ্যে স-মিলের শ্রমিক, রিক্সা-ভ্যান চালক, অটো চালক, , কেউ আবার গণপরিবহণের শ্রমিক এবং হোটেল-রেস্তোরায় কাজ করেন। এদের অনেকেই পায়নি কোনো ত্রান সহযোগিতা, আর মধ্যে বিত্ত পরিবার গুলোতো অসহায় হয়ে পরেছে ।

 

করোনা ভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে আয়ের পথ বন্ধ হওয়ায় অনেক কষ্টে জীবন-যাপন করছেন বলে জানান তারা। করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ও জনসমাগম এড়াতে গত ২৬ মার্চ থেকে সরকারী ছুটি চলছে।

Manual7 Ad Code

 

করোনা বিস্তার রোধে প্রায় ২৫ দিন ঘরে থাকার কারণে ভান্ডারিয়ার খেটে খাওয়া বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষগুলো কর্মহীন হয়ে পড়েছেন।
করোনা মোকাবেলায় সামাজিক নিরাপত্তা খাতে সরকারী যে খাদ্য সহায়তা কর্মসুচী তা এখন অনেকটা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। স্থানীয় শ্রমিকরা জানায়
প্রতিদিন কাজ করে সংসার চালান তাঁহারা । কাজ না থাকায় আয়-রোজগার সব বন্ধ। হাতে যা ছিল তা শেষ, ঘরে খাবার নাই এখন কিভাবে সংসার চালাবে তা নিয়ে খু্বই দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন তারা।

 

সরকার থেকে বিভিন্ন যায়গায় অনেক খাদ্যসামগ্রী বিতারণ করা হলেও আমরা অসহায়রা পাইনি এ কথা বলে মনের অজান্তেই চোখের জল টলটল করতেছিল। কথা হয় বিভিন্ন পরিবহণের ড্রাইভারদের সাথে, তারা বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে সরকার আমাদের ঘরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্ত ইনকাম না থাকলে আমরা কি খবো ? তাই মাঝে মধ্যে বের হই। কিন্ত যাত্রী কম আবার পুলিশের তাড়া তো আছেই। এ পরিস্থিতিতে কীভাবে সংসার চালাবে তা নিয়ে চিন্তিত বলে জানান তারা। তাদের একটাই প্রশ্ন মৃত্যুটা রোগের সংক্রমনে হবে না খাদ্যের অভাবে হবে এমন টাই বলেন তারা।