ক্রাইম রিপোর্টার: গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় পৃথক দুইটি এলাকায় রোববার রাতে
হামলা সংঘর্ষ লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে ৫জন আহত হয়েছে।
উপজেলার আন্দারমানিক ও সাহেরাপুল বৈরাগির চালা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী ও পুলিশ জানায়,আন্দার মানিক পুর্বপাড়া এলাকায় লক
ডাউনকে কেন্দ্র করে হামলা ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। ওই দিন সন্ধ্যায় একদল
যুবক ওই এলাকার ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিনের দোকানে ও বাড়ীতে হামলা
চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে। তাদের হামলায় ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন ও
রায়হানসহ কমপক্ষে ৫জন আহত হয়েছে।
আহতদের এক ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকিৎসা
দেওয়া হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীরা জানান, উপজেলার আন্দার মানিক ও আশেপাশের
এলাকার কয়েকজন যুবক সন্ধ্যা ৭টার সময় নিজাম উদ্দিনের দোকানে যায়।
সেখানে তারা দোকান খুলে কিছু মালামাল বাকি দিতে বলে। বাকি না
দেওয়ায় উপস্থিতরত ৭-৮জনের যুবকরা তাকে এলোপাথারী মারধর করে। এ সময় তিনি
দৌড়ে বাড়ীতে ঢুকলে তারাও ওই বাড়ীতে ঢুকে বেদম মারপিট করে বাড়ীতে
হামলা চালিয়ে ব্যপক ভাংচুর ও ক্ষতি করে। এ সময় রায়হান নামে এক
যুবক বাধা দিতে এলে তাকেও মারধর করে। তাদের হামলায় ওই বাড়ীর কমপক্ষে জন ৫জন
আহত হয়েছে। এ সময় এলাকার মসজিদের মাইকে ডাকাত পরেছে বলে মাইকিং করলে । পরে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে যুবকরা পালিয়ে যায়।
অপরদিকে উপজেলার ইউনিয়নের সাহেরাপুল বৈরাগির চালা গ্রামে
রাত সাড়ে আটটার দিকে রানা, আশিক, মিলন,পিয়াস,সেলিম ও রুবেলের
নেতৃত্বে ৬-৭জন যুবক আব্দুল আলীম (২০) নামের এক মুদি দোকানদারকে
ডেকে বের করেন।
পরে বাকীতে সিগারেট না দেওয়ায় এলোপাথারি মারধর
করেন। পরে দারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন। এসময় আব্দুল আলীম
অজ্ঞান হয়ে পড়লে ওই যুবকরা দোকানের ক্যাশে থাকা নগদ সত্তর হাজার টাকা ও
দোকানের মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে দোকানদার আব্দুল আলীমের
পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে আসলে যুবকরা পালিয়ে যায়।
পরে রক্তাক্ত অবস্থায়
আব্দুল আলীমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি
করা হয়েছে। এ ঘটনায় আব্দুল আলীম নিজেই বাদী হয়ে পাঁচ জনের নামে
একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
কালিয়াকৈর থানার ওসি আলমগীর হোসেন মজুমদার জানান, পৃথক দুইটি ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।