৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বাগাতিপাড়ায় করোনা মোকাবেলায় স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গায়ের জোরে বাধা দিলেন বাঁকিল

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ৮, ২০২০
বাগাতিপাড়ায় করোনা মোকাবেলায় স্থানীয় যুবকদের উদ্যোগে গায়ের জোরে বাধা দিলেন বাঁকিল

Manual5 Ad Code

খাদেমুল ইসলাম,বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি:

নাটোরের বাগাতিপাড়ায়ৱ ১নং পাঁকা ইউনিয়নের গালিমপুর মসজিদ মোড়েৱ গ্রামের বাসিন্দাদের কারো শরীরে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নেই, কোন জ্বর, সর্দিকাশি ও শ্বাসকষ্টের বিশেষ কোন রোগীও নেই। তবুও করোনা সতর্কতায় স্বেচ্ছায় পুরো গ্রামকে লকডাউনে রাখতে চেয়েছিল গালিমপুর এর স্থানীয় যুবকরা।

Manual6 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

তাদের দাবি, সারাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার যখন বদ্ধপরিকর, নিজেদের গ্রামকে তা থেকে সুরক্ষিত রাখতে ও বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল। সেখানে বাহিরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছিল না এবং গ্রামবাসীও জরুরী প্রয়োজন ছাড়া গ্রামের বাইরে বের হচ্ছিল না।

 

Manual7 Ad Code

জানা যায় বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে এমন সময় এই মহৎ উদ্দেশ্যে বাধা দেয় স্থানীয় মুদি দোকানদার বাকিল সদ্দার(৪৫), স্থানীয়রা জানান ক্ষুব্দ বাকিল এর সাথে ছিল তার পুত্র নাহিদ (১৮) এবং বহিরাগত তার ভাতিজা তুহিন সরদার(২৪), আরো জানা যায স্বেচ্ছাসেবী যুবকদের বিচ্ছিরি ভাষায় গালাগালি শুরু করেন শুধু তাই নয় এক পর্যায়ে তারা যুবকদের উপরে হামলা খুন-জখমের হুমকি দেন এতে যুবক এবং এলাকাবাসীদের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

 

Manual5 Ad Code

আরো জানা যায় দোকানদার বাকিল একসময় মার্ডার কেসের আসামি ছিলেন,
তার এমন পশুর মতন আচরনে ঘর থেকে বাহির হওয়ার সাহস পর্যন্ত পাচ্ছিল না এলাকাবাসি,
এ সময় যুবকদের ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন বাগাতিপাড়া মডেল থানার পুলিশৱা,তাদের উপস্থিতি বুঝে এলাকাবাসীরা বাইরে আসেন পুলিশকে সব জানালে তারা বলেন থানাতে এ ব্যাপারে লিখিত অভিযোগ করতে হবে তবেই আমরা পদক্ষেপ নিতে পারব, এক পর্যায়ে পুলিশ এসে সকলকে সময় মিমাংসা করে দিলেও যায়নি বাকিদের রাগ
পুলিশ যাওয়ার পরে তিনি আবারো একা ছুটে যান যুবকদের উপর হামলায় পরে স্থানীয় জনগণ ভয় ভীতি কাটিয়ে তাকে ধরে শান্ত করেন

 

পরে স্বেচ্ছাসেবী যুবকরা কোথাও ঠাঁই না পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন, এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি অফিসার প্রিয়াংকা দেবী পাল সেই যুবকদের ফোনে জানান আপনারা একটি ভালো উদ্যোগ নিয়েছেন সর্বদায় আমি আপনাদের পাশে আছি, যুবকরা সব ঘটনা নির্বাহি অফিসার কে খুলে বললে তিনি বলেন স্থানীয় ব্যক্তি এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের স্বাক্ষর নিয়ে আমার কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিন তারপরে বিষয়টা আমি তদন্ত করে দেখবো।