রাকিব হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ
জাতির পিতাবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আত্মস্বৃকীত খুনি এবং হত্যা মামলার আসামী ক্যাপ্টেন মাজেদকে দ্রুত ফাসির রায় কার্যকর করে বাঙালী জাতিসহ ভোলাকে কলঙ্কমুক্ত করার দাবি করেন, ভোলা বোরহানউদ্দিন বাসি।
ভোলা ২আসনের এমপি আলী আজম মুকুল বলেন, বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণত সম্পাদক মোঃ পলাশ বিশ্বাসকে ফেইসবুক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোশাল মিডিয়াতে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। এটা আসলেই এক ধরনের কাঁদা ছোরাছুরি। আমি আপনাদের বলি পলাশের বাবা অজিউল্যাহ বিশ্বাস তিনি ১৯৭৫ থেকে ১৯৮০ সাল প্রযোন্ত ছাত্রলীগ করেছেন,১৯৮০ সাল থেকে বোরহানউদ্দিন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন, বর্তমানে তিনি ভোলাজেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি, এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক। তাদের সাথে কিছু লোকের ব্যাক্তিগতো বারাবারির কারনে একধরনের কাঁদা ছোরাছুরি এর বাহিরে আর কিছুই না।
বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, জাতির পিতা, খুনি ক্যাপটেন মাজিদ যখন গ্রফতার হলো সেই মুহুর্তে, বোরহানউদ্দিন উপজেলা সাধারণত সম্পাদক পলাশ বিশ্বাসকে নিয়ে, একটি কুযুক্তি মহল অপপ্রচার রটাচ্ছে। আসলেই এটা কাঁদা ছোরা ছুরি ছারা আর কিছুইনয়। বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণত সম্পাদক মোঃ পলাশ বিশ্বাস জন্মগত ভাবে আওয়ামীলীগের পরিবারের সদস্য।
ক্যাপ্টেন মাজেদ হলো পলাশের দুঃসম্পর্কের চাচাতো নানা, আর পলাশের বাবা মায়ের বিয়ে হয় ১৫ আগস্টের ঘটনার আগে এবং ১৫ আগস্টের ঘটনার পর থেকে মাজেদের পরিবারের সাথে পলাশদের পরিবারের কোন সম্পর্কই নাই, পলাশের বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা, সে বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলো, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ছিল, বর্তমানে উপজেলা কৃষকলীগের আহ্বায়ক ও ভোলাজেলা কৃষকলীগের সহ সভাপতি, উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্য পদে আছে এবং পূর্বের কমিটির ত্রান বিষয়ক সম্পাদক ছিলো, পলাশের বড় ভাই উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, এখন বাংলার জনগনের কাছে প্রশ্ন এখানে পলাশের দোষ কোথায়?? পলাশের বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের হত্যার আগে থেকে আওয়ামীলীগের রাজনীতি সাথে জড়িত , পলাশের বাবা স্বাধীনতার আগে থেকে লীগ করে ,বড় ভাই বহু আগে থেকে লীগের রাজনীতি করে বোরহানউদ্দিন বাসির প্রশ্ন হলো বাবা-ভাইয়ের মুক্তিযুদ্ধ ও লীগ সংশ্লিষ্টতা বাদ দিয়ে মায়ের বাড়ির উপর চাচাতো নানার দোষ পলাশদের ঘাড়ে কেন পরবে?? পলাশতো এর আগে ছাত্রলীগের উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকও ছিল।
পলাশ বিশ্বাস, বোরহানউদ্দিন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। জারা তাকে নির্বাচিত করেছেন এবং যিনি বোরহানউদ্দিন এবং দৌলতখান উপজেলার মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন তিনি সবচেয়ে ভালো জানেন, সে কার আত্মীয় আর কার আত্মীয় না। অতএব আমরা মনে করি তাকে নিয়ে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করা ঠিক নয়।