৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

করোনার প্রভাবে লক্ষীপুর- রায়পুর সহ ভিবিন্ন অঞ্চলে নারিকেল ও সুপারি ব্যবসায় ধস

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ৭, ২০২০
করোনার প্রভাবে লক্ষীপুর- রায়পুর সহ ভিবিন্ন অঞ্চলে নারিকেল ও সুপারি ব্যবসায় ধস

Manual3 Ad Code

মু,ইসমাইল হোসাইন (রনি), লক্ষীপুর প্রতিনিধি :

Manual4 Ad Code

লক্ষীপুরে সুপারি নারিকেল টমেটো সহ নানান ফসল উৎপাদন বৃদ্ধি হলেও নায্য দাম ও করোনার কারনে যোগাযোগ ব্যবস্থা, পাইকার না পাওয়ায় ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত বাগানিরা।

 

Manual5 Ad Code

প্রাকৃতিক পরিবেশ অনুকুলে থাকার কারণে লক্ষ্মীপুর জেলার অধিকাংশ সুপারি’র বাগান বিস্তৃর্ত।

 

ব্যবসায়ীগণ সুপারি বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যবসার উদ্দেশ্যে নিয়ে যেতো। এমনকি সুপারি দেশের বাহিরেও রপ্তানি করা হয়ে থাকে। সুপারি বিদেশে রপ্তানি করার ফলে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হয়। এ ছাড়াও সুপারির খোল ও বাইল থেকে বিভিন্ন শিল্প কারখানার কাচামাল হিসেবেও ব্যবহুত হয়। এ জেলার সুপারি আকারে বড় এবং খেতে সুস্বাদু।

 

রাখি মাল ব্যবসায়ী জুটন বলেন, লক্ষীপুরে রায়পুর উপজেলায় বছরে একশ’ কোটি টাকার সুপারির ব্যবসা হয়, সুপারি নিয়ে ব্যবসায়ীরা এবার ভালো দাম পেয়ে তাদের মুখে হাঁসি ফুটছেলো কিন্তুু গত মাস থেকে পরিবহন সংকট, ইমপোর্টাররা করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ও সরকারি কড়াকড়ি আরোপের কারনে রায়পুরে আসতে পারেনি।

 

Manual5 Ad Code

গত বছর সুপারি ভিজিয়ে ব্যবসায়ীদের যে লোকসান হয়েছে এ বছর তা পুষিয়ে নিতে পারবে ভেবেছিলো। এ ফসলকে ঘিরে বছরে প্রায় ১শ’ কোটি টাকা লেনদেন হয়।
গত বছর বাজার থেকে প্রতি কাহন সুপারি ৭শ থেকে ৮শ’ টাকা দরে কিনে ব্যবসায়ীরা ভিজিয়ে রাখার পর ৩শ – ৪শ’ টাকা দরে বিক্রি করতে হয়েছে। এ ব্যবসায় বিনিয়োগ করার পর অর্ধেক লোকসান হওয়ার পর তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। কিন্তু চলতি বছর তাদের জন্য সু-খবর ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে প্রতি কাহন সুপারি ১৪শ’ টাকায় বিক্রি করছে আবার কেউ কিনে ভিজিয়ে রাখছেন।

 

দীর্ঘদিন থেকে জনশ্রুতি আছে ‘নারকেল সুপারির রাজধানী উপকূলীয় জেলা লক্ষ্মীপুর’।

 

এ অঞ্চলে উৎপাদিত হওয়া সুপারি, নারিকেল বেশ সুস্বাদু হওয়ায় সারাদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। দেশের প্রতিষ্ঠিত সুপারি ব্যবসায়ীরা প্রতিবছর এখান থেকে সুপারি, নারিকেল সংগ্রহ করেন বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।

Manual4 Ad Code