৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৭ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

শার্শায় ১ হাজার দুঃস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পৌছে গেল

admin
প্রকাশিত মার্চ ২৯, ২০২০
শার্শায় ১ হাজার দুঃস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান পৌছে গেল

Manual1 Ad Code

ইকরামুল ইসলাম, বেনাপোল প্রতিনধি:

‘ঘরে থাকার তৃতীয় দিন’ যশোরের শার্শা উপজেলার এক হাজার দুঃস্থ পরিবারের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া অনুদান পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

 

‘যারা দিন আনে দিন খায়’ এমন খেটে খাওয়া মানুষের বাড়িতে বাড়িতে এই খাদ্য সামগ্রী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান-মেম্বারদের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে জানান শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু।

Manual5 Ad Code

 

“সবার প্রতি আমি আহ্বান জানাচ্ছি সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করুন। উপজেলার শার্শা, বেনাপোল, নাভারন ও বাগআঁচড়ায় অনেক সামর্থ্যবান আছেন, তাদের কাছে প্রত্যাশা এই দুঃসময়ে সাধারণ মানুষের সাহায্যে আপনারা এগিয়ে আসুন। যারা কষ্টে আছে, তাদের পাশে দাঁড়ান।”

 

Manual8 Ad Code

বাগআঁচড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইলিয়াছ কবীর বকুল তার ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ৭০টি পরিবারের মাঝে নিজ উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী পাঠিয়েছেন।

 

তিনি বলেন, যারা হোম কোয়ারেন্টাইন মেনে চলছেন তাদের বাড়িতে চাল, ডাল, তেল, পেয়াজ, কাচাঁবাজার ও ফল পাঠানো হয়েছে। আইন মেনে চলায় বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ওই পরিবারের কেউ বাজারে যেতে পারছে না তাই এই উদ্যোগ নিয়েছি।

 

“দিন মজুর, ভ্যান চালক, তারা তো এখন ভ্যান চালাতেও পারছে না। কাজও করতে পারছে না। তাই আমার সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যক্তিগত ভাবে আমার দিক থেকে যতটা পারি সেটা করে যাচ্ছি।”

 

নাভারন বাজারের চায়ের দোকানদার সৈয়দ আলী বলেন, “এখন দুকান খুলতি পারছিনে, আয় রোজগার নেই। প্রধানমন্ত্রীর এই অনুদান আমার জন্যি আর্শিবাদ। অন্তত ছেলে-মেয়ে নিয়ে দুমুঠো খাওয়ার ব্যবস্থা হলো।”

Manual8 Ad Code

 

Manual4 Ad Code

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রান তহবিল থেকে উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ১ হাজার দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের একজন কর্মকর্তাকে ট্যাগ কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে প্রতিটি ইউনিয়নে এটি তদারকি করা হচ্ছে। “প্রতিটি প্যাকেটে ১০কেজি চাল, ১কেজি ডাল, ২কেজি আলু ও একটা সাবান রয়েছে।”