অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ● টিভি থেকে নেয়া
অভিযোগ প্রতিবেদক : কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭০ বছর বয়সের এক ব্যক্তি মারা গেছেন। মৃত ব্যক্তি বিদেশ থেকে আসেননি বা এর মধ্যে বিদেশেও যাননি। তিনি আমেরিকা ফেরত স্বজনদের মাধ্যমে করোনায় আক্রান্ত হন।
আগে থেকেই তিনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি সমস্যায় ভুগছিলেন। তার অবস্থা বেগতিক হওয়ায় তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিলো। মঙ্গলবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
বুধবার (১৮ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৩টার কিছু পর নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান- আইইডিসিআর এর পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ২ জনসহ মোট ১০ জন করোনা আক্রান্ত থাকার কথা জানিয়েছিল আইইডিসিআর। বুধবার (১৮ মার্চ) ফ্লোরা জানান, নতুন করে আরও ৪ জন শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট ১৪ জন ‘নিশ্চিত করোনা’ আক্রান্ত রোগী।
১৬ জনকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা শঙ্কাজনক। মঙ্গলবার নতুন করে যারা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের উপসর্গ মারাত্মক নয়, উপসর্গ মৃদু।
সংক্রমণ বেড়ে দেশের করোনা পরিস্থিতি এখন ‘কমিউনিটি ট্রান্সমিশন’ পর্যায়ে রয়েছে এমন কোনও তথ্য তাদের কাছে নেই বলে জানান সেব্রিনা ফ্লোরা। এখন পর্যন্ত সবই পারিবারিক সংক্রমণ ঘটেছে বলেও নিশ্চিত করেন তিনি।
দেশে ফেরা নিম্ন আদালতের ৩০ বিচারককে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। ২ সপ্তাহের প্রশিক্ষণ শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে ১৫ মার্চ (রোববার) দেশে ফেরেন তারা। এ তথ্য জানায় আইন মন্ত্রণালয়।
হোম কোয়ারেন্টিন করা হয়েছে ঢাকা মেডিকেলের চার চিকিৎসককে। স্লোভেনিয়া থেকে আসা ৪ জনকে আশকোনার হজ ক্যাম্প এবং মালয়েশিয়া ও দুবাই থেকে আসা দু’জনকে কুয়েক মৈত্রী হাসপাতালে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।
আইইডিসিআর এর পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, কোয়ারেন্টাইনে রাখা গেলে পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণে থাকতো বলে জানান তিনি।