মোঃ জাহান জেব কুদরতী,বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি : আমাদের সকলকে কাঁদিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারী’২০ চলেগেলেন না ফেরার দেশে বাগেরহাট জেলার ঐতিহ্যখ্যাত(শেখ পরিবার) রামপাল উপজেলার বাঁশতলী ইউনিয়নের বাঁশতলী গ্রামের জনাব আলহাজ্ব শেখ হাবিবউল্লাহ (হাবীবউল্লাহ হাজী)।ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন। মৃত্যুয়ান্তে উনার বয়ষ হয়েছিলো ৮৮ বছর।তিনি ৮ সন্তান ও ৩ টি কন্যার জনক ছিলেন।তিনি বেশ কিছু আত্মীয় স্বজন ও অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে মারাজান।তার সন্তানেরা বেশীরভাগই উচ্চ শিক্ষিত,দেশ সেবায় নিবেদিত ও রাজনৈতিক পদস্হ হয়ে নেতৃত্ব দান কারী। মন্ত্রণালয়ের সচিব থেকে শুরুকরে ইউনিয়ন পরিষদের বারবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জন সেবায় নিবেদিত প্রান।কেউ আছেন জাতীর কারিগর হয়ে মহান পেশা শিক্ষকতায়। যারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্হানে থেকে কর্মদক্ষতা ও সততার গুনে সুনাম অর্জন করে চলেছেন প্রতিনিয়ত।শিক্ষানুরাগী এই মহান পুরুষটি নিজ এলাকার সীমানা পেরিয়ে আমৃত্যু নিজেকে সম্পৃক্ত করে রেখেছিলেন অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে।প্রতিষ্ঠাও করেছেন হাফেজী মাদ্রাসা সহ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তার অনুদান পৌছায়নি এমন প্রতিষ্ঠান বিশেষতঃ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বাগেরহাট জেলায় খুব কমই আছে।নিজ গ্রামের মাধ্যমিক স্কুলে ২৫ বছরেরও অধিক সময় ধরে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনি।প্রাইমারীর তারও বেশী প্রায় ৩০ বছর যাবৎ।গিলাতলা আবুল কালাম ডিগ্রী কলেজের ছিলেন আমৃত্যু দাতা সদস্য।ডাকরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দাতা ও সদস্য ছিলেন তিনি কয়েকবছর।শরাফপুর কারামাতিয়া মাদ্রাসা,ডেমা কারামাতিয়া মাদ্রাসা ও হেফজ খানায় নিয়মিত নিরবে চাঁদা দিতেন তিনি। ইসলামাবাদ ছিদ্দিকিয়া ফাজিল মাদ্রাসা ও ফাতিমাতুজ্জোহরা(রাঃ)মহিলা মাদ্রাসাতেও তিনি করতেন নিয়মিত দান সাদকা।করেছেন জমি দান ও।ধর্মীয় নির্দেশনা মতে করতেন তিনি নিরবে নিভৃতে দান সদকা,যা থাকতো অনেকেরই অজানা।এই মহান পুরুষটির জন্ম এমনই একটা ঐতিহ্যশালী বংশে যারা সেই আদীকাল হতেই অতীব প্রভাবশালী ও বৈধ ধন সম্পদের উত্তরাধিকারী।মোট কথা আমরা হারালাম একজন গার্জীয়ানকে,হারালাম নিবেদিত প্রান একজন ধর্ম ভীরু ব্যক্তিত্বকে।
আমরা উনার জন্য মহান আল্লাহর নিকট কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি-উনাকে যেনো আল্লাহ জান্নাতের মেহমান হিসাবে কবুল করে নেন,সেই সাথে উনার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি রইলো গভীর সমবেদনা।