৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ভাঙা বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেই, এলাকাবাসী চরম হতাশায়

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২০
ভাঙা বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেই, এলাকাবাসী চরম হতাশায়

Manual1 Ad Code

 

মোঃ মাল‌িক মিয়া, বিশেষ প্রতিনিধি কমলগঞ্জ :

গত বছর ২০১৯ ইংরেজি সনের আগস্ট মাসের বন্যায় মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ পৌর এলাকার দিয়ে অবহিত ধলাই নদীর মূল বাঁধ প্রবল পানির চাপে ভেঙে যাওয়ার ছয় মাস পেরিয়ে গেলেও মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

Manual8 Ad Code

বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার ফলে হুমকির মুখে পড়েছেন গোপালনগর বড় গাছ গ্রামের হাজার হাজার বাসিন্দা তারা এ নদীর পাড় ব্যবহার করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

শুধু পৌর এলাকার এক নং ওয়ার্ডে দুই জায়গায় প্রায় ৫ শ ফিট এবং আরেক জায়গায় ৬ শ ফিট বাঁধ মেরামত না হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে বাঁধের ওই ভাঙা অংশ দিয়ে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে হাজার-হাজার একর জমির ফসল, বসত-বাড়ি ও রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই অতিদ্রুত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় এই বাঁধটি মেরামত করা প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।

Manual8 Ad Code

আজ ৮ ফেব্রুয়ারি রোজ শনিবার স্থানীয়রা এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকাল জানান গত দুই বছর আগে প্রথমবার নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেলে সে সময় নদীর বাঁধ টি মেরামত করা হয়।

তবে গত বর্ষা মৌসুমে আবারো উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেলে বাধটি নদীগর্ভে বিলীন হয়। বিলীন হলেও এতদিনে বাধটি মেরামতের উদ্যোগ বা বাঁধটি নির্মাণ করার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করছে না কর্তৃপক্ষ
এমনটা জানান স্থানীয় বাসিন্দা গন।

স্থানীয় প্রায় তিন হাজার এর উপরে এ ওয়ার্ডে বসবাসকারী লোকজন বিকল্প পথে চলাচল করে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন প্রতি নিয়ত।

তাই আবারও নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে ফসলি জমি, বসতবাড়িসহ রাস্তা-ঘাট পানিতে প্লাবিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। হুমকির মুখে পড়বে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং নিম্নাঞ্চল। তাই তারা উক্ত স্থানে ব্লক দিয়ে বাধটি মেরামতের উদ্যোগ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

গোপালনগর গ্রামের মো.খায়রুল ইসলাম সজল মিয়া বলেন, ভেঙে যাওয়া ওই বাঁধের অংশ এখন শুষ্ক মৌসুমে মেরামত না করলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি বৃদ্ধি পেলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে আমাদের তাই দ্রুত বাঁধটি মেরামত করা প্রয়োজন।

স্থানীয় যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম নানু বলেন, বাধটি মেরামত না করায় স্থানীয়দের হতাশা আর দুর্ভোগের শেষ নেই।

স্থানীয় কাউন্সিলর দেওয়ান আব্দুর রহিমন মুহিন বলেন বারবার উক্ত স্থানটি মেরামত করা হলেও টেকসই না হওয়ার কারণে পানি বৃদ্ধি পেলেই ভেঙে যায় এবার যাতে টেকসই করে স্থানটি মেরামত করা হয় সেজন্য তিনি কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

Manual7 Ad Code

পৌর মেয়র জুয়েল আহমদ জানান স্থানটি মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড সহ এ বিষয়ে লিখিতভাবে জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় এমপিমহোদয় কে অবহিত করা হয়েছে বাজেট আসলে অতি দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন