১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ভোলা বোরহানউদ্দিনের ফকিরহাটে একি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বেদে পরিবারের গৃহবধূর

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২০
ভোলা বোরহানউদ্দিনের ফকিরহাটে একি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বেদে পরিবারের গৃহবধূর

Manual1 Ad Code

রাকিব হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধিঃ

Manual3 Ad Code

ভোলা বোরহানউদ্দিনের কাচিয়া ইউনিয়ন এর ৯ নং ওয়ার্ড আমির হোসেন মাতাব্বর বাড়ির, মৃত তাজ উদ্দিনের মেজ ছেলে সোহাগ বিয়ের পাঁচ মাস না হতেই, ছোটভাই রাসেলের সাথে তার স্ত্রীর প্রেম সম্পর্ক হওয়ার খবর পেয়ে সোহাগ তার স্ত্রীর সাথে ঝগড়াঝাঁটি করে এবং তাকে মারধর করে। স্থায়ী সূত্রে জানা যায় এবং সেই মারধরের পরে সোহাগ নিজেই বিষের বোতল তার মুখে ঢালার চেষ্টা করলে তার স্ত্রী পারভীন বেগম, সোহাগ এর হাত থেকে নিয়ে নিজেই, সেই বিষ পান করে।

 

Manual6 Ad Code

আজ সকাল হতেই সংবাদকর্মীরা জানতে পেয়ে সেই বাড়িতে গেলে, তাদের ঘরে গিয়ে তদন্ত করলে দেখা যায় সেই ঘরে বিষপানের কোন আলামত পাওয়া যায়নি, সংবাদ কর্মীরা ঐ এলাকার মেম্বার মোঃ জসিম উদ্দিনকে ফোন দিলে সে বলে, আমাকে রাত্রে ফোন দিয়ে বলেছে যে পারভিন বেগমকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেছে এবং ডাক্তার তাকে মারা গেছে বলে জানান।

 

ঘরে থাকা তার ভাবি এবং ছোট বোনকে জিজ্ঞেস করলে তারা বলে আমার ভাবী পারভীন বেগম বুধবার রাত্র আনুমানিক ০৮ ঘটিকার সময় ঘরে তার স্বামীর সাথে ঝগড়া করে, নিজেই বিষপান করেন তখন আমার ভাই সোহাগ এবং মা মিলে বোরহানউদ্দিন হাসপাতাল নিলে সেখান থেকে ফিরিয়ে দেয়, তারপর তারা ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।

 

Manual1 Ad Code

এলাকার জনগণ বলেন পারভীন বেগম বিয়ের পরপরই তার দেবর মোঃ রাসেল এর সাথে গভীর সম্পর্ক মেতে ওঠে এবং ৫ ই জানুয়ারি বুধবার রাত্রে তার স্বামী সোহাগ তাদের দুজনকে একই জায়গায় দেখতে পায় এবং তার স্ত্রী পারভিন বেগমের সাথে ঝগড়াঝাটি হয় মারধর করে কিনা আমরা তা দেখতে পাইনি পরে শুনি যে সোহাগ নিজেই বিষপানে চেষ্টা করলে তার স্ত্রী পারভীন বেগম হাত থেকে নিয়ে নিজেই বিষ পান করেন। তারা আরও বলেন সোহাগ দুই থেকে তিনটি বিয়ে করে,৷

 

Manual5 Ad Code

মৃত তাজউদ্দিন ও তার স্ত্রী বেদে বংশের তারা এই মাতব্বর বাড়িতে আজ থেকে তিন বছর আগে এসেছে তারা। মৃত তাজউদ্দিনের স্ত্রী, সাফু বেগম গ্রামে গ্রামে থালা বাসন এবং কাপ প্রিজ বিক্রি করে এবং তার ছেলেরা যে কোন কাজ পেলেই কর।

 

ওই এলাকার মাদ্রাসার এক ছাত্র বলেন আমরা রাত্রে হঠাৎ চিৎকার শুনতে পেলে বের হলে দেখতে পাই মসজিদের পাশেই, ব্রিজ এর পাশেই তাদের কে। এবং সেখান থেকেই বিষের গ্রান পাওয়া যায়।
কিন্তু জনগন বলেন তাদের ঘরে বিষের কোন গ্রান বা আলামত পাওয়া যায় নি।

 

এই বিষয়ে লালমোহন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ রাসেলুর রহমানের সাথে কথা বললে যে বলে লাশ পোস্ট ম্যাটাম এরপরই তদন্ত করে আমরা আইনত ব্যবস্থা নিব।