খোন্দকার আব্দুল্লাহ বাশার, কোটচাঁদপুর প্রতিনিধি
বাংলাদেশে প্রায় প্রতি নিয়তো দেখা যায় পত্রিকা ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশ করতে যেমন মোবাইল ফোনে,অস্ত্র ঠেকিয়ে, চিঠি দিয়ে নানা রকম ভাবে চাঁদাবাজি করতে মানুষের। পশু পাখির মাধ্যমে চাঁদাবাজির কথা শুনলে হ্যাস্যকার মনে হয়। তবে এমন ভাবে টাকা তুলতে প্রায় দেখা যায়। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে খেলা দেখানোর নামে নিয়ে আশা হয় হাঁতি। হাঁতি দিয়ে অভিনয় কায়দায় নিরাব চাঁদাবাজি করতে প্রায় দেখা যায় শহরে, গ্রামে,ও রাজপথের গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি করতে। এমনটা কোটচাঁদপুর নতুন না কিছু দিন আগে হাঁতির দিয়ে চাঁদাবাজি করতে দেকে কোটচাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ মালিক কে থানায় নিয়ে আসে। পারে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃমাহাবুবুল আলম এর কাছে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান। আজ রবিবার কোটচাঁদপুর মেন বাজারে দেখা যায় হাঁতির মাধ্যমে দোকানদার দের কাছ থেকে টাকা আদায় করতে।অনেকেই বলেন এটা নিরব চাঁদাবাজি ইচ্ছা না থাকলেও টাকা দিতে হয়।না দিলে নড়ে না হাঁতি ভয়তে টাকা দিয়ে দিয়।