৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৯শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বাউফলে রমরমা কোচিং বানিজ্য, শিক্ষকদের বাসায় ‘ব্যবসা কেন্দ্র!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২২, ২০২০
বাউফলে রমরমা কোচিং বানিজ্য, শিক্ষকদের বাসায় ‘ব্যবসা কেন্দ্র!

Manual7 Ad Code

আবু রায়হান, বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ

পটুয়াখালীর বাউফলে অতিরিক্ত পাঠদানের নামে ব্যবসা কেন্দ্র খুলে বসছে কতিপয় অর্থলোভী শিক্ষক।

Manual1 Ad Code

 

প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে বসত ঘরের আড়ালে চেয়ার টেবিলে সুসজ্জিত করে গড়ে তুলেছেন এসব ব্যবসা কেন্দ্র। আধো- আলো সকাল থেকে শুরু করে বেলা ১০টা, বিকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী ব্যাচে ব্যাচে চলে তাদের পঠদানের নামে অর্থ হাতানোর কাজ। প্রতি ব্যাচে অংশ নেয় ২৫-৪০ জন করে শিক্ষার্থী। জনপ্রতি নেওয়া হয় ৫’শ থেকে ১হাজার টাকা।

 

Manual6 Ad Code

কিছু অতি উৎসাহিত অভিভাবক ভালো ফলাফলের আশায় পা দিচ্ছেন শিক্ষার নামে এ প্রতারণার ফাঁদে। আবার কোন কোন অভিভাবক আর্থিক টানাপোড়া থাকা সত্বেও বাধ্য হচ্ছেন ফাঁদে পা দিতে।

 

Manual8 Ad Code

বিশিষ্টজনেরা মনে করেন, কোচিং’ই যদি শিক্ষা অর্জণের বড় মাধ্যম হয় তাহলে সরকারের কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে স্কুল কলেজ মাদ্রাসা না চালিয়ে কোচিং ব্যবসাকে বৈধ করে দেওয়াই ভালো।

 

বুধবার (২২জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার কালাইয়া হায়াতুনেচ্ছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (র্ধম) মো. নুরে আলমের মার্চেনপট্টি রোডস্থ বাসায় গিয়ে দেখা যায়, ২৫ থেকে ৩৫জন (৬ষ্ঠ-১০ম) শিক্ষার্থীদের নিদিষ্ট টাকার বিনিময় পাঠদান করতে। একই চিত্র ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (গনিত) রমেন চন্দ্র দাস, সহকারি প্রধান শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দাস ও কালাইয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়েল সহকারি শিক্ষক মোসা. বিথী আক্তারের বাসাতেও।
এসময় শিক্ষক নুরে আলম ও রমেন চন্দ্র সাংবাদিকের প্রশ্নের কোন সদোত্তর দিতে পারেননি।

Manual4 Ad Code

 

তবে সুভাষ চন্দ্র বলেন, প্রধান শিক্ষক ও কমিটির অনুমতি নিয়ে ২ব্যাচে ১৬জন এস.এস.সি পরীক্ষার্থীদের বিশেষ পাঠদান দিচ্ছেন। রমরমা কোচিং বানিজ্যের এমন চিত্র শুধু কালাইয়াতে না। উপজেলার বগা, নুরাইনপুর, বাউফল পৌর শহর, নাজিরপুর’সহ শতাধিক স্থানে চলছে এই অনৈতিক ব্যবসা।

 

এবিষয়ে কালাইয়া হায়াতুনেচ্ছা বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ হারুনুর রশিদ বলেন, ‘তাদের কোচিং বানিজ্য করতে নিষেধ করা হয়েছে। তার পরেও যদি কেউ করে থাকে তার দ্বায়ভার বিদ্যালয়ের না।’

 

বিষয়টি নিয়ে সদ্য যোগদানকৃত বাউফল উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেনের দৃষ্টি আর্কষণ করলে তিনি বলেন,‘ বিষয়টি প্রথম জানলাম। জড়িতদের সর্তক করা হবে। পুনরয় কোচিং ব্যনিজ্যের সাথে জড়ালে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’