ভান্ডারিয়া প্রতিনিধি :
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় এক প্রভাবশালীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে দু’টি পরিবার শত বছরের পুরানো বসতভিটা ও ঘর ছেড়ে অন্যত্র যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, জমিজমা বিক্রির বিরোধ নিয়ে উপজেলার ইকড়ি গ্রামে মৃত গফ্ফার মুন্সির ছেলে প্রভাবশালী আলম মুন্সি ও তার লেডিমাস্তান মেয়ে মায়া বেগমের অত্যাচার-নির্যাতন, হত্যার হুমকি, রাতের আধাঁরে ঘরের চালায় ইট পাটকেল নিক্ষেপ, পথেঘাটে অকথ্য ভাষায় গালাগালি ও পথ রোধ করাসহ বিভিন্ন ধরনের কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে সম্প্রতি একই গ্রামের আমজাদ মুন্সি ও খালেক মুন্সির পরিবার তাদের নিজ বসত বাড়ির ঘর ছেড়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
ইতিপূর্বে অত্যাচারি আলমের নানান নির্যাতনের শিকার হয়েছেন আঃ খালেক মুন্সি ও দু’টি পরিবারের রফিক, আনোয়ার, কামাল, বেলাল, মনিরুজ্জামান এবং তাদের আসামী করে একাধিক নারী ও শিশু নির্যাতন (৮১/১৮) মামলাসহ ৫ টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় ভান্ডারিয়া থানা ও পিরোজপুর জেলা জজ কোর্টে বলে জানান নির্যাতিত পরিবারের সদস্য মোঃ মনিরুজ্জামান।
তিনি বলেন, তাদের মিথ্যা মামলার হাত থেকে রক্ষা পায়নি পরিবারের ৬জন মহিলা সদস্যসহ তাদের আত্মীয় স্বজনরাও।
কাঁদো কাঁদো কন্ঠে অশ্রুশিক্ত নির্যাতিত পরিবারের বৃদ্ধ খালেক মুন্সি জানান, এলাকার প্রভাবশালী ও মামলাবাজ আলমের নিয়ন্ত্রনে দেয়া একাধিক হয়রানী মুলক মিথ্যা মামলা ও তাদের অমানুষিক নির্যাতন থেকে প্রাণে বাচঁতে আমার পরিবার ও খালেক মুন্সির পরিবার শত বছরের পুরোনো বাপ-দাদার বসত ঘর ছেড়ে একই গ্রামে ভাসমান শীতের মধ্যে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছি।
তিনি, এসব অত্যাচারি আলমের হাত থেকে মুক্তির আকুতি জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন ও দেশ বাসির কাছে।
ইকড়ি গ্রামে ২০১৬ সালে প্রভাবশালী আলমের সৎ বোন ৩৫ শতক জমি মৃত আমজাদ মুন্সি ও আঃ খালেক মুন্সির ছেলেদের কাছে বিক্রয় করে। কিন্তু একই গ্রামের আলমের প্রভাবে ওই জমি আজও দখল নেয়া সম্ভব হয়নি।