১৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৬শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

বদরগঞ্জে দুই ভারতীয় নাগরিককে সনদপত্র দিলেন মেয়র,ছোট ভাইদের ১৫ কোটি টাকার সম্পদ আতসাতের চেষ্টা

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০, ২০১৯
বদরগঞ্জে দুই ভারতীয় নাগরিককে সনদপত্র দিলেন মেয়র,ছোট ভাইদের ১৫ কোটি টাকার সম্পদ আতসাতের চেষ্টা

Manual8 Ad Code

নার্গীস ইসলাম,বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি :-

Manual5 Ad Code

বদরগঞ্জে ছোট দুইভাইয়ের ১৫ কোটি টাকার সম্পদ আতসাতের চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানাযায়, পৌরশহরের প্রাণকেন্দ্রে রাজম্যাশন মার্কেটটি বড়ভাই রাজকুমার পিতার সম্পদ থেকে তার ছোট দুইভাইকে বি ত করে কোটি কোটি টাকা ভারতে পাচার করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে। নিজস্বার্থ হাছিলের জন্য এ কাজে সহযোগীতা করে আসছে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী রতন কুন্ডু শাহ। এছাড়াও ওই রাজম্যাশন মাকের্টটি আত্বসাতের জন্য, পৌর মেয়রে কাছ থেকে রাজকুমার তার ২ছেলের নাগরিকত্ব নেন। এ ঘটনায় বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন ছোট ভাই প্রদীপ সাহা।
গতকাল বুধবার(১৮ডিসেম্বর) স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,প্রায়ত জগদিশ সাহার তিন ছেলে রাজকুমার সাহা, প্রদীপ সাহা ও স য় সাহা। বদরগঞ্জ রাজম্যানশন মার্কেটটি সহ পৌরশহরের বালুয়াভাটা ও লিচুবাগান এলাকার অন্তত ১০০ বিঘা জমি তাদের নামে। ভাইদের মধ্যে জমি ভাগাভাগি হলেও রাজম্যানশন মার্কেটটি ভোগ দখল করে আছেন বড় ভাই রাজকুমার সাহা। এরমধ্যে তিনি কৌশলে ২০০৫ সালে রাজম্যানশন মার্কেটের ১৫ শতাংশ জায়গা স্ত্রী আরতী রানী সাহাকে লিখে দেন। গত চার মাস আগে আরতী রানী সাহা ভারতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনার ব্যারাকপুরে রাজকুমারের সঙ্গে নিজ বাড়িতে বসবাস করছেন তার দুই ছেলে মনোজ কুমার সাহা(৩৯) ও রাজীব কুমার সাহা(৩৬)। জন্মসুত্রেও তারা বর্তমানে ভারতের স্থায়ী নাগরিক। মনোজ সাহার ভারতীয় পাসপোর্ট নম্বর-জে ১৮৭৮১৮৫। এ দিকে বদরগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে গত ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট ওই দুই ভাইকে জন্ম সনদ দেওয়া হয়েছে। মূলত রাজকুমারের দুই ছেলেকে বাংলাদেশের নাগরিক করার একটাই লক্ষ্য তার ওই মাকের্টটি আত্বসাৎ করার। কিন্তু তারা কেউ বাংলাদেশের নাগরিক নন। অথচ পৌরমেয়র উত্তম কুমার শাহ অনিয়ম করে ওই দুই ভারতীয় নাগরিককে জন্ম সনদ দেন। এনিয়ে পৌর শহরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। রাজ কুমারের ছোটভাই প্রদীপ সাহা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এটি আমাদের পৈত্রিক বাড়িভিটা। এখানেই আমার জন্ম। ‘মৃত্যুর আগে পৈত্রিকভিটায় নিরপন দলিল করে আমাদের তিন ভাইয়ের থাকার অনুমতি দিয়ে গেছেন বাবা। কিন্তু বর্তমানে আমি আলাদা জায়গায় থাকলেও ছোট ভাই সঞ্জয়কে সেখানে থাকার কোন সুযোগ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। এ ব্যাপারে রাজকুমারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে ব্যর্থ হওয়ায় তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বদরগঞ্জে মার্কেট ও বাসার তত্বাবধায়ক তার ভাগ্নি জামাই অরুন চৌধুরী বলেন, মামা স্বশুর রাজকুমার এসে দুই একদিন থেকেই আবার কোথায় চলে যায়, আমাদেরকে বলে জাননা। তার ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য দিতে পারবেন রতন কুন্ডু।

Manual3 Ad Code