ফরিদপুর জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার সর্বোচ্চ দুর্নীতিবাজ এসএম আকরাম এর অংশগ্রহণ জাতির সাথে তামাশা বলছে এলাকাবাসী
সিকদার লিটন,জেলা প্রতিনিধি ফরিদপুর :
খোঁজ নিয়ে জানা যায় যে এই এস এম আকরাম আলফাডাঙ্গা আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গেম শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ায় ইস্কুলের অর্থে ক্রয় করা ফ্যান ইস্কুলে না লাগিয়ে লাগান নিজের বাড়িতে। বিষয়টি জানাজানি হলে তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট কোবাদ হোসেনের নেতৃত্বে এই এসএমএস হোসেনের বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় সেই ফ্যান এবং সেই দুর্নীতির দায়ে চাকরীচ্যুত হন এসএম আকরাম।
জাতীয় পার্টির রাজনীতির সাথে সক্রিয় সদস্য এই এস এম আকরাম হোসেন জাতীয় পার্টির দুরবস্থা দেখে স্থানীয় প্রভাবে বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় দল আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হোন। একপর্যায়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে মনোনীত হওয়ার পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদ পদবী বিক্রয় টেন্ডারবাজি চাঁদাবাজি সালিশ বাণিজ্য নিয়োগ বাণিজ্য, রাজাকারপুত্র কে আরিফুজ্জামান পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ৮ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ সহ বিভিন্ন অসত উপায়ে গড়ে তোলেন টাকার পাহাড়।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের ঘাটি উপজেলায় দলীয় প্রতীক নৌকার প্রার্থী হওয়ার পরও তিনি দুর্নীতিবাজ হওয়ায় এবং মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন করায় অত্র এলাকার মানুষ তাকে প্রত্যাখ্যান করে যাহার প্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের এই ঘাটি দীর্ঘদিনের সুনাম হারিয়ে ফেলে।
প্রকাশ থাকে যে, মুক্তিযুদ্ধ যাচাই বাছাই কমিটির প্রধান থাকায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের বাদ দিয়ে যারা জীবনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেনি তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ বাণিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছিলেন কয়েকশো কোটি টাকা এই এস এম আকরাম।
উক্ত বিষয়ে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা কাউসার ভাই ওই দুর্নীতিবাজের বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে এই দুর্নীতিবাজ রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে আলফাডাঙ্গা বোয়ালমারী মধুখালী আসনের তৎকালীন ক্ষমতাবান নেতার মধ্যস্থতায় ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে আলিশান ভাবে জীবন যাপন করে যাচ্ছেন। এবং আন্তর্জাতিক দুর্নীতি বিরোধী মিছিলে অংশগ্রহণ করে তিনি ভালো মানুষ সাজার অপচেষ্টায় লিপ্ত।
এই দুর্নীতিবাজ আওয়ামীলীগের সাইনবোর্ডে হয়েছেন জিরো থেকে হিরো, করেছেন একাধিক বাড়ি গাড়ি মার্কেট দোকান সহ বিভিন্ন স্থাপনা, আমার জানামতে তার দুর্নীতির মাধ্যমে আয় করা অর্থ দিয়ে ঢাকার উত্তরা থানাধীন বাউনিয়া এলাকায় একতা সুপার মার্কেটে করেছেন ২০-৩০ টি দোকান যাহার আনুমানিক বাজার মূল্য ৭০ ৮০ কোটি টাকা,
ঢাকার ইস্কাটনে দুই কোটি টাকার বিশাল ফ্লাট, আলফাডাঙ্গা বাজারে ছেলের নামে ছয় তলা মার্কেট সহ বিভিন্ন দোকানপাট যাহার মূল্য কোটি কোটি টাকা। এছাড়াও ছেলে মেয়ে স্ত্রী নামে রয়েছে বিভিন্ন একাউন্ট এবং শত শত কোটি টাকা, প্রকাশ থাকে যে বিগত উপজেলা নির্বাচনে তার দাখিলকৃত হলফনামা এবং আয়কর রিটার্নে তার উল্লেখিত সম্পদের পরিমাণ সর্বোচ্চ ১০ লক্ষ টাকা।
এই দুর্নীতিবাজ উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস পর্যন্ত তিন হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে ভোগ দখল করে আসিতেছেন। সেই এসএম আকরাম হোসেনের এই ধরনের কার্যক্রম দেখে এলাকাবাসী জাতির সাথে তামাশা বলে মনে করছে এবং দ্রুত যথাযথ কর্তৃপক্ষকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য দাবি জানিয়ে এলাকাবাসী আরও বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাংবাদিকদের মাধ্যমে আকুল আবেদন দ্রুত তদন্ত পূর্বক এই দুর্নীতিবাজ এস এম আকরাম হোসেনকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হোক