১৬ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

উচ্ছবিত্তদের চিকিৎসার্থে নামীদামি হাসপাতাল,নিম্নবিত্তদের সরকারী হাসপাতাল ভরসা

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২৩, ২০১৯
উচ্ছবিত্তদের চিকিৎসার্থে নামীদামি হাসপাতাল,নিম্নবিত্তদের সরকারী হাসপাতাল ভরসা

Manual3 Ad Code

মো: আক্তার হোসেন, সিলেট থেকে :

সারা বাংলাদেশে সিলেট নিয়ে কথিত রয়েছে যে সিলেট বিশ্বের দ্বিতীয় লন্ডন। তাই সিলেটের জনসাধারণের জন্য বিভিন্ন সময়ে তৈরি করা হয় বেসরকারী হাসপাতাল। এসকল বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিয়ে থাকেন সিলেটের উচ্চবিত্ত শ্রেণীর লোকসমাজ।

Manual3 Ad Code

 

সেখানে স্থান হয় না সাধারণ রোগীদের৷ কেননা তাদের কথা মাথায় রেখে কখনো কোন বেসরকারী হাসপাতাল তৈরি করা হয় না।

 

Manual2 Ad Code

মানুষের মৌলিক চাহিদার একটি হলো চিকিৎসা। কিন্তু সকল মানুষ সেই সেবা পেয়ে থাকে না৷ সরেজমিনে বিভিন্ন বেসরকারী হাসপাতার ঘুরে তত্ব পাওয়া যায় দরীদ্র হতদরীদ্রদের কথা বেসরকারী হাসপাতালে মাথায় রাখা হয় না।

 

বরং তাদের তাচ্ছিল্ল করে বলা হয় সরকারী হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহন করার জন্য৷ টাকা ছাড়া কোন কথা হয় না বেসরকারী হাসপাতালে৷

Manual7 Ad Code

 

 

Manual8 Ad Code

সিলেটে বেসরকারী হাসপাতাল ব্যাঙ্গের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে৷ চিকিৎসা হোক বা না হোক জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারী হাসপাতালের অনেক শাখা সিলেটে রয়েছে৷ বেসরকারী হাসপাতালে ডাক্তারদের আয় ভাল বিদায় এসকল হাসপাতালে ডাক্তারগণ সময় ব্যয় করেন৷

 

অপারেশন, রোগী ভিজিট, বিভিন্ন প্যাথলজি পরীক্ষার কমিশনসহ ভাল টাকা প্রতিদিন আয় করতে পারেন। প্রাইভেট চেম্বারে বসলেও রয়েছে আরো ফায়দা।

 

বর্তমান সময়ে চিকিৎসা সেবা অনেক ব্যয় বহুল হয়ে দাড়িয়েছে৷ কেননা চিকিৎসকগণ তাদের নৈতিকতা বিসর্জন দিয়ে নিজেদের পকেট ভরাট করতে ব্যস্ত সময় পার করেন। বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানীর ঔষধ প্রেসক্রাইব করতে পান কমিশন, বিদেশ ভ্রমণসহ নানারকম সুযোগ সুবিধা৷ ফলে উচ্ছবিত্ত হোক আর মধ্যবিত্তসহ সকল শ্রেণীর রোগীকে প্রয়োজনীয় ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ প্রেসক্রিপশন করতে দ্বিধাবোধ করেন না৷ এছাড়া বিভিন্ন প্যাথলজিকেল সেন্টারের সাথে রয়েছে কমিশন বাণিজ্য৷

 

সরকারী হাসপাতালে ডাক্তারগণ সময় কাটান শুধু চাকরীর কারণে৷ গড়ে একজন রোগীকে ডাক্তার সময় দেন গড়ে ১০-২০ সেকেন্ড৷ যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল৷ বিশ্বের কোথাও এতো কম সময় রোগীকে দেবার ইতিহাস তোথাও নেই৷ বর্তমানে জনসাধারণ নিঃস্ব হয়ে পড়ে চিকিৎসা করতে গিয়ে। বিভিন্ন পরীক্ষা সর্বস্বান্ত এরপর ঔষধ সেবন। তা আর হয় না৷