পুনম শাহরীয়ার ঋতু,গাজীপুরঃ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১ নভেম্বর থেকে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করা হয়েছে।
সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর করার জন্য এখন সারাদেশ সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
আগামী সাতদিন এই সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হবে। এর সময় কোন পরিবহনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের না করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
শনিবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকায় নতুন সড়ক পরিবহন নিরাপত্তা আইন বাস্তবায়ন হওয়া সড়ক পরিবহন আইনের বিআরটিএ’র কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
মন্ত্রী বলেন, নতুন সড়ক পরিবহন আইন পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে দুর্ঘটনা কমে যাবে ও সড়কে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।
সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বিএনপি আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নেতাকর্মীদের চাঙ্গা রাখতে গলাবাজি করছে।
বিএনপি বারবার আন্দোলনের ডাক দেওয়ার পরও জনগণ সাড়া না দেওয়ায় আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে।
নেতৃত্বে ব্যর্থ হয়ে তারা এখন মানুষের কাছে নালিশ করছে। নালিশ করা বিএনপি’র একটি রোগে পরিণত হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, নির্বাচন যদি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হত মির্জা ফখরুলসহ বিএনপি কেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।
যদি বর্তমান সংসদকে অবৈধ বলা হয় তাহলে সংসদে যোগ দেওয়া বিএনপির ৭ সংসদ সদস্যও অবৈধ।
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে বিএনপি রাজনীতি করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যের সাথে বিএনপি’র বক্তব্যর মিল নেই।
খালেদা জিয়া শারীরিক অবস্থার এমন কোনো অবনতি হয়নি, যে তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে।
মেডিকেল বোর্ডে খালেদা জিয়ার পছন্দের ডাক্তার রয়েছে। সেই মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরা বলছেন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো আছেন এবং সুচিকিৎসা পাচ্ছেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে শুদ্ধি অভিযান চলছে। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়ে ও তৃণমূল পর্যায়ে ভূমিদস্যু মাদক ব্যবসায়ী সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
পর্যায়ক্রমে তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এ সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন বিআরটিএ’র চেয়ারম্যান ডঃ আহসানুল করিম, অতিরিক্ত আইজিপি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পুলিশ সুপার মোঃ হারুন অর রশিদসহ বিআরটিএ’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।