আব্দুল করিম, চট্রগ্রাম জেলা প্রতিনিধি : প্রিপেইড মিটারের আওতায় আসছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। ফলে হয়রানি আর ভুতুড়ে বিলের খড়গ থেকে গ্রাহকরা রেহাই পাবেন। পাশাপাশি বিশাল অংকের বকেয়া বিল আদায় হবে প্রতিষ্ঠানটির।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে অনুষ্ঠিত ৫৩তম বোর্ড সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
ক্রমবর্ধমান পানির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে গবেষণার জন্য একটি রিসার্চ সেল গঠনেরও সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় প্রস্তাব দুটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন বোর্ড সদস্য ও বিএফইউজের যুগ্ম মহাসচিব মহসীন কাজী।
চট্টগ্রাম ওয়াসাতেই প্রথম প্রিপেইড মিটার ও রিসার্চ সেল গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। দেশের অন্য কোনো ওয়াসায় ডিজিটাল প্রযুক্তিতে বিল আদায় ব্যবস্থা ও রিসার্চ সেল নেই।
চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম ফজলুল্লাহ জানান, প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার মিটার নিয়ে প্রিপেইডের পাইলট প্রকল্প চালু হবে। শিগগিরই প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।
তিনি জানান, ভবিষ্যতে পানির চাহিদা পূরণ এবং বিদ্যমান উৎসের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে একটি রিসার্চ গঠন করা হবে। এছাড়াও আগামী বোর্ড সভায় পানি সরবরাহে অনিয়ম নিয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট উপস্থাপনের সিদ্ধান্তও হয়।
সংস্থাটির পরিচালনা পর্ষদ চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সদস্য অতিরিক্ত সচিব জহিরুল ইসলাম ও সত্যজিত কর্মকার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম ফজলুল্লাহ, অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবির, শওকত হোসেন এফসিএ, মহসীন কাজী, ডা. শেখ শফিউল আজম. ইঞ্জিনিয়ার জাফর আহমেদ সাদেক, আবিদা আজাদ ও এফ কবির মানিক।