১৩ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৮শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৪শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

নাচোলে এমপিওভূক্ত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইছে আনন্দের বন্যা

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ২৪, ২০১৯
নাচোলে এমপিওভূক্ত তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বইছে আনন্দের বন্যা

Manual1 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

মতিউর রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

Manual6 Ad Code

দীর্ঘ ৯বছর পর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দরজা গত ২৩অক্টোবর খুলেছেন মানীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারা দেশে ২ হাজার, ৭শ’ ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভূক্তির ঘোষনা দিয়ে। এরই ধারাবাহিকতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্টান এমপিওভূক্ত হয়েছে। এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বাইছে আনন্দের বন্যা। এমপিওভূক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো নাচোল মহিলা ডিগ্রী কলেজ, নাচোল কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ ও পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠান তিনটিতে বইছে শিক্ষক-কর্মচারীদের মাঝে আনন্দের বন্যা। দীর্ঘদিন কষ্ট করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠদান ও প্রতিষ্ঠান টিকিয়ে রেখে অপেক্ষায় ছিলো শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা। নচোল মহিল ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ওবাইদুর রহমান জানান, হাসপাতাল রোডে মাস্টারপাড়ায় কলেজটি অবস্থিত। ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠার প্রায় ১০বছর পর (০১/০৭/২০০২ তারিখে) ডিগ্রী কোর্স চালু হয়। প্রতিষ্ঠার ২৬বছর পর উপজেলায় নারী শিক্ষার্থীদের উচ্চতর শিক্ষা নিশ্চিত করতে ২০১৯সালে বাংলা, রাস্ট্রবিজ্ঞান ও ইতিহাস বিষয়ে ১ম বর্ষে সম্মান(অনার্স) চালু হয়েছে। কলেজে শিক্ষক ৬২জন, ১ম বর্ষ অনার্সসহ মোট শিক্ষার্থী প্রায় ১হাজার ২শ’জন। অনার্স শ্রেণীর ১২জনসহ শিক্ষক ৬২জন। বর্তমান সরকার কলেজটির এমপিও অনুমোদন করায় সকলেই খুশি। ২০০৪সালে নাচোল পৌর এলাকার শিয়ালা এলাকায় নাচোল কৃষি ডিপ্লোমা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় ১৫বছর পর প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভূক্ত হলো। ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কৃষি ও ফিসারিজ দু’টি বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু আছে। শিক্ষক-কর্মচারী ৪১জন ও দু’বিষয়ের শিক্ষার্থী ১৭৫জন। কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, প্রতিষ্ঠার ১৫বছর পর এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে টিকিয়ে রাখতে আমাকে অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়েছে। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এটিকে এমপিওভূক্ত করায় আমরা সকলেই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।
উপজেলার আদিবাসী অধ্যুসিত এলাকা নাচোল সদর ইউপির পীরপুরে অবস্থিত পীরপুর উচ্চ বিদ্যালয়টি ২০০২সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১১জন শিক্ষক, ৩জন কর্মচারী ও ৪৭১জন শিক্ষার্থী নিয়ে মাটির ঘরে ঝড়ে উড়ে যাওয়া টিনের চালার নীচে শিক্ষার্থীদের পাঠদানে খুবই অসুবিধার মধ্যে আছেন এমনটিই জানালেন বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মুসলেহুদ্দীন। তবে স্কুলটির এমপিও হওয়ায় শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিরকৃতজ্ঞ।