১লা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৮ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

টাঙ্গাইলে সাবেক বিএনপি’র নেতা এড.ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলিম সহ ২১ জনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের….!!

Editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬
টাঙ্গাইলে সাবেক বিএনপি’র নেতা এড.ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলিম সহ ২১ জনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের….!!

Manual3 Ad Code

টাঙ্গাইলে সাবেক বিএনপি’র নেতা এড.ফরহাদ ইকবাল ও মেহেদী হাসান আলিম সহ ২১ জনের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের….!!

সাহরিয়ার আলম টাংগাইলঃ আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী আবু নাসের আল আমিন পাপন (১৩ নং ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ১ নং সহ সভাপতি), পিতা-শামসুর রহমান খান, সাং-বিসিক রোড, থানাপাড়া, উপজেলা-টাঙ্গাইল সদর, জেলা-টাঙ্গইল।

Manual1 Ad Code

আইডি নং-২৮১৯২২০৩৬৫, এই মর্মে এজাহার দায়ের করছি যে, টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৩ নং ওয়ার্ড গত ১৯/০১/২০২৬ ইং তারিখ সময় অনুমান দুপুর ১.০০ ঘটিকার সময় সাবেক প্রধান মন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া মাহফিল উপলক্ষে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গকে দাওয়াত দিতে আমি সহ সংগীয় সাব্বির খান সাদী, পিতা-মাহবুবুর রহমান খান টুকন, বিপ্লব আরেফিন খান, পিতা-মৃত শহিদুর রহমান খান ও রেজভী আহম্মেদ, পিতা-মৃত মফিজ উদ্দিন খান সহ আরো কয়েক বি.এন.পির নেতা- কর্মকর্মী ঘটনাস্থাল শান্তিকুঞ্জ রোড সিএনজি শ্রমিক অফিসের সামনের পাকা রাস্তায় পৌছালে বিবাদী ১।

ফরহাদ ইকবাল (৫২), পিতা-মৃত আবু বক্কর (সাবেক সভাপতি আওয়ামীলিগ, ছিলিমপুর ইউনিয়ন), সাং-এতিম খানা রোড বেপারীপাড়া, ২। মেহেদী হাসান আলীম (৫৮), পিতা- মৃত বাছেদ উকিল, সাং- এতিম খানা রোড বেপারীপাড়া, থানা ও জেলা- টাঙ্গাইল এর উপস্থিতিতে ও ইন্ধনে বিবাদী ৩। লিও রাকিব হোসেন রানা (৩০), পিতা-মৃত নবী বেপাড়ী, ৪। – আবিদ হাসান ইমন (২৫), পিতা-মৃত হায়দার আলী মাতাব্বর, উভয়সাং- আদী টাঙ্গাইল ছাপড়া মসজিদ সংলগ্ন, ৫। ইমন ২ (২২), পিতা- শম্ভু বেপাড়ী, সাং-এতিম খানা রোড বেপারীপাড়া, ৬। আনিস ওরফে টেরু আনিস (৪০), পিতা- মৃত দিদার মুন্সী, সাং- বেপারী পাড়া, ৭। শুভ (২২), পিতা- শহিদুল বেপারী, সাং- বেপারী পাড়া, ৮। শিশির (গরু সালামের মেয়ের জামাই) (৩০), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- মাঝিপাড়া, ৯।

Manual7 Ad Code

হোসেন (বেবি শ্রমিক) (৪৫), পিতা- মোহাম্মদ আলী (রুনু) বেপারী, সাং- বেপারী পাড়া, ১০। সোনা ওরফে সোনাই বেপারী (বেবি শ্রমিক) (৪২), পিতা- তোতা বেপারী, সাং- বেপারী পাড়া, ১১। সাধু (৩৮), পিতা- মৃত বদি বেপারী, ১২। হৃদয় (২৪), পিতা- মৃত মিন্টু বেপারী, সাং- বেপারী পাড়া, ১৩। সালাম ওরফে গরু সালাম (৫৫), পিতা- অজ্ঞাত, সাং- মাঝিপাড়া, ১৪। আব্দুল্লাহ বেপারী (৫২), পিতা- শামছুদ্দীন বেপারী, ১৫। রোমান বেপারী (২৮), পিতা- শরাফত বেপারী, ১৬। নাইম (২৬), পিতা- নজরুল বেপারী, ১৭। আকাশ বেপারী (২৫), পিতা- শাহানুর বেপারী, ১৮। হেলাল বেপারী (৩০), পিতা- মৃত মোজাম্মেল হোসেন, ১৯। সবুজ বেপারী (২৫), পিতা- মোহাম্মদ আলী বেপারী, ২০। ইফাদ বেপারী (২৬), পিতা- ইয়ারুল বেপারী, ২১। সুমন ওরফে দুলু (৩০), পিতা- হবি বেপারী, সর্বসাং, বেপারী পাড়া, টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল।

উল্লেখিত সকল বিবাদী সহ অজ্ঞাতনামা আরো ১৫/২০ জন বিবাদীগন আমাদের প্রতিরোধ করে দাড়ায় এবং ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে কাজ না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করলে আমি ও আমার সঙ্গীয় লোকজন প্রতিবাদ করায় হত্যার উদ্দেশ্যে বিবাদীগন আমাদেরকে এলোপাথারী কিল ঘুষি-লাথি মারতে থাকাবস্থায় ৩, ৮ ও ১৫ নং বিবাদী লিও রাকীব হোসেন, শিশির ওরোমান বেপারী খুন করার উদ্দেশ্যে তাদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে আমার সঙ্গীয় সাব্বির আহম্মেদ সাদীর মাথায় ডান পাশে কোপ দিয়ে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। ৫ নং বিবাদী ইমন-২ তার হাতে থাকা দা দিয়ে খুন করার উদ্দেশ্যে সাব্বির আহম্মেদ সাদীর মাথা লক্ষকরে কোপ দিলে উক্ত কোপ ডান হাত দিয়ে ফিরাইলে ডান হাতের তর্জনি আঙ্গুলের রগসহ কেটে ও গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়। ৪ নং বিবাদী আবিদ হাসান ইমন পিতা-হায়দার আলী মাতাব্বর, তার হাতে থাকা হকিস্টিক দিয়ে সঙ্গীয় বিপ্লব আরেফিন খানকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় লক্ষ্য করে সজোরে বারি দিলে উক্ত বারি ডান হাত দিয়ে ফিরাইলে ডান হাতের কুনুইয়ে লেগে হাড়ভাঙ্গা গুরুত্বর জখম হয়।

১২ নং বিবাদী হৃদয় তার হাতে থাকা হকিস্টিক দিয়ে সঙ্গীয় রেজভী আহম্মেদকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় বাম পাশে সজোরে বারি দিয়ে গুরুত্বর জখম করে। ১১ নং বিবাদী সাধু তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে সঙ্গীয় রিজভিকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে বাইরাইয়া মারাত্বক জখম করে। ৪ নং বিবাদী আবিদ হাসান ইমন, জখমী সাব্বির আহম্মেদ সাদীর মৃত্যু নিশ্চিত করবার জন্য গলা টিপে ধরে এবং লাঠি দিয়ে বাইরাইয়া মারাত্বক জখম করে। ৭ নং বিবাদী শুভ ও ১৮ নং বিবাদী হেলাল বেপারী হত্যার উদ্দেশ্যে সঙ্গীয় এস ইসলাম পিন্টুকে শরিরের বিভিন্ন স্থানে মারধর করে নীলাফুলা জখম করে। বিবাদীদের কবল থেকে কতক স্বাক্ষী দৌড়ে এসে আমাদেরকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। জখমী সাব্বির আহম্মেদ সাদী ও বিপ্লব আরেফিনকে খানআশংকাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করলে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। জখমীদের চিকিৎসা কাজে ব্যস্ত থাকায় এবং আসামীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহসহ থানা পাড়ার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গের সহিত আলোচনা কওে মামলা দায়ের করিতে বিলম্ব হইলো।

Manual4 Ad Code

পরবর্তীতে, মামলা দায়ের করার পর টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে পোস্ট করে বলেন,

Manual5 Ad Code

ধিক্কার জানাই।
মাননীয় টাঙ্গাইলের চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসী, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামীদের দিয়ে আমি, মেহেদী হাসান আলীম সহ ছাত্রদল, যুবদল বিএনপির দুর্দিনের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দেওয়ান ভালো কথা। কিন্তু এসব করে টাঙ্গাইল সদরের জনগণের কাছ থেকে আমাদের বিচ্ছিন্ন করতে পারবেন না। শুধু মাত্র নির্বাচনে জয়ী হওয়ার লালসায় টাঙ্গাইলে চিহ্নিত আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের বিনা বাঁধায় ফিরিয়ে এনেছেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলার আসামীদের পুনর্বাসন করে টাঙ্গাইল শহরে অবস্থান করার সুযোগ করে দিয়েছেন। প্রতিটি ইউনিয়নের পলাতক আওয়ামী চেয়ারম্যানদের নিজ এলাকায় ফিরিয়ে এনে নিজের পক্ষে কাজ করাতে হয়েছে, ভোট চাওয়াতে হয়েছে। সাধারণ মানুষ এসব কিছু না জানলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা এসব সম্পর্কে ঠিকই অবগত রয়েছে। এই নির্বাচন প্রমাণ করে দিয়েছে টাঙ্গাইলে আওয়ামী দোসরদের পুনর্বাসনকারী একমাত্র আপনি আর আপনার পরিবার।