২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে (২)দুইজন নিহত আহত অনেক।

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৫
বাস ও অটোরিকশার সংঘর্ষে (২)দুইজন নিহত আহত অনেক।

Manual7 Ad Code

মোঃ ইকবাল মোরশেদ, স্টাফ রিপোর্টার।

Manual3 Ad Code

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় লাকসাম নাঙ্গলকোট সড়ক পথ দামবাহার এলাকায় একটি বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লাকসাম–নাঙ্গলকোট আঞ্চলিক সড়কের দামবাহার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো-১৪-০১৪১ নম্বরের একটি যাত্রীবাহী সুপার বাস নাঙ্গলকোটগামী পথে দামবাহার এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

এ সময় আলেয়া বেগম ও তার পরিবার ছেলের শ্বশুরবাড়ি থেকে দাওয়াত খেয়ে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে লাকসাম জেনারেল হাসপাতালে পাঠান।

পরে আশঙ্কাজনক কয়েকজনকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। আহতদের মধ্যে মাজেদা বেগম (৬০) কুমিল্লা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

Manual5 Ad Code

তিনি লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড মোহাম্মদপুর গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া অটোরিকশাচালক রাসেল (২২) ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন।

Manual3 Ad Code

প্রাথমিক পর্যায়ে আরো দু’জনকে নিহত বলে ধারণা করা হলেও হাসপাতালে নেওয়ার পর তাদের জ্ঞান ফিরে। নিহতের খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এ ঘটনায় মাজেদা বেগমের নাতি মিনহাজ (২), নাতনি মেহেজাবীন (৭)সহ ছয়জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। গুরুতর আহত পুত্রবধূ মিনু আক্তার (২৫) ও নিকটাত্মীয় মহরুমের নেছা (৬৫)কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া আরেক নিকটাত্মীয় আলেয়া বেগম (৫২) ও শিশু আব্রাম (৩) প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কয়েকজনকে হাত-পা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

Manual5 Ad Code

স্থানীয় স্থানীয় লোকজন ও এলাকাবাসীর অভিযোগ করেন, লাকসাম–নাঙ্গলকোট আঞ্চলিক সড়কটি সরু ও ব্যস্ততম হওয়ায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। তারা দ্রুত সড়ক উন্নয়ন, কার্যকর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং সংশ্লিষ্ট বাসের চালক ও মালিককে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।