২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১১ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ডিমলায় তিস্তা নদীর অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিরব প্রশাসন

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৫, ২০২২
ডিমলায় তিস্তা নদীর অবৈধভাবে বালু উত্তোলন নিরব প্রশাসন

Manual1 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

মোঃ তারাজুল ইসলাম জেলা প্রতিনিধি নীলফামারীঃ প্রশাসনের নাকের ডগা দিয়ে তিস্তা নদী থেকে ইজারা ছাড়াই অবাধে বালু উত্তোলন করছেন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি দেখেও নিরব প্রশাসন। তিস্তা নদী থেকে বালু তোলার জন্য সরকারের অনুমতির নিয়ম থাকলেও প্রভাবশালী ওই মহল

Manual8 Ad Code

কিছুই তোয়াক্কা করছেন না। ফলে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, বেপরোয়া বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে ওই এলাকাসহ আশপাশের বসতবাড়ি ও ফসলি জমি।

Manual4 Ad Code

নীলফামারী ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের তেলিরবাজারের পাশ দিয়ে বয়ে
যাওয়া তিস্তা নদীর বালু ইজারা ছাড়াই অবৈধ ভাবে উত্তোলন করছেন সরকার দলীয়
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম ও ইউপি চেয়ারম্যান ছাত্রনেতা ময়নুল হক। বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতরা প্রভাবশালী হাওয়ায় স্থানীয়রা তাদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগও করতে সাহস পাচ্ছেন না। দিনে দুপুরে প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন কাজ চললেও প্রশাসন দেখেও না দেখার ভান করছে।

যদিও বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন- ২০১০ এর ধারা ৫ এর ১ উপধারা অনুযায়ী পাম্প বা ড্রেজিং বা অন্য কোনো মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। ধারা-৪ এর (খ) অনুযায়ী চাষাবাদ জমি, বসতবাড়ি,
সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনা থেকে কমপক্ষে ১ কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন করা নিষিদ্ধ থাকলেও সরকারের অনুমতি ছাড়াই তিস্তার বালু উত্তোলন করছে এসব ব্যবসায়ী।

একটি সূত্রে জানাযায়, গ্রাম বিকাশ নামের একটি এনজিওর আওতায় ভিটেবাড়ি
উচুকরণ কাজে এসব বালু তিস্তা নদী থেকে উত্তোলন করা হচ্ছে। সরকারের অনুমতি
ছাড়াই প্রায় ৮/৯টি সিক্স সিলিন্ডার ও ড্রেজিং মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন কাজ অব্যাহত রয়েছে, যা দেখার কেউ নেই। গ্রাম বিকাশের প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার শাহাজান আলী জানান জনসাধারনের উপকারে কারো অনুমতি লাগেনা। তারপর মৌখিক অনুমতি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

টেপাখড়িবাড়ীর তেলিরবাজারের স্থানীয়দের মধ্যে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বলেন, সরকার দলীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তাঁর লোকজন যেভাবে ভালু উত্তোলন করছে সামনের বর্ষায় ভোগান্তি দেখা দিতে পারে। এছাড়াও বসতবাড়িসহ চাষাবাদ জমি গুলো ক্ষতিগ্রস্থ হবে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
জানতে চাইলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আপনারা চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন।

ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হকের সাথে কথা বলতে একাধিকবার ফোনে চেষ্টা করলেও
তাকে পাওয়া যায়নি।

এ ব্যাপারে ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ লাইসুর রহমান মুঠোফোনে বলেন, বিষয়টি ইউএনওকে বলেন আমি পুলিশের সাপোর্ট দিবো।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বেলায়েত হোসেনকে একাধিকবার মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করলেও পাওয়া যায়নি।

Manual7 Ad Code