৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

শৈলকুপায় বিষধর সাঁপের কামড়ে ২শিশুর মৃত্যু, ২০ দিনের ব্যবধানে মারা গেল ৬জন

প্রকাশিত আগস্ট ২৪, ২০২০
শৈলকুপায় বিষধর সাঁপের কামড়ে ২শিশুর মৃত্যু, ২০ দিনের ব্যবধানে মারা গেল ৬জন

Manual3 Ad Code

শৈলকুপায় বিষধর সাঁপের কামড়ে ২শিশুর মৃত্যু, ২০ দিনের ব্যবধানে মারা গেল ৬জন

 

Manual7 Ad Code

সুলতান আল একরাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ

 

ঝিনাইদহের শৈলকুপায় বিষধর সাঁপের কামড়ে ২শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । শনিবার রাতে পৌর এলাকার চতুড়া ও দুধসর ইউনিয়নের নাকোল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

Manual1 Ad Code

জানা যায়, উপজেলার পৌর এলাকার চতুড়া গ্রামের শুভ’র ছেলে রাব্বি (৫) রাতে বাবা মায়ের পাশে ঘুমিয়ে ছিল। এসময় ঘুমন্ত অবস্থায় শিশু ছেলেটিকে সাঁপে কামড় দেয়। পরে শিশুটিকে উদ্ধার করে প্রথমে শৈলকুপা হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রেফার্ড করে। সেখানে ইনজেকশন দেওয়ার সাথে সাথে শিশুটি মারা যায়।

Manual3 Ad Code

এছাড়া দুধসর ইউনিয়নের নাকোল গ্রামে বিল্লাল হোসেনের ছেলে তাহসিন (৯) ঘরের মেঝেতে শুয়ে ছিল। রাত ২টার দিকে বিষাক্ত সাপে কামড় দেয়। পড়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে  ভোরে ছেলেটি মারা যায়।

Manual7 Ad Code

শিশুটির পিতা বিল্লাল হোসেন জানায়, তার ছেলেকে সাঁপে কামড় দিলে প্রথমে ওঝা কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে ছেলেটি সুস্থ্য হয়ে যায় । নিশ্চিত হতে মনের সন্দেহ দূর করতে ছেলেকে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখান থেকে ইনজেকশন দেওয়ার সাথে সাথে ছেলেটি মারা যায়। অভিযোগ করে বলেন, সুচিকিৎসা পাবার আশায় হাসাপাতালে সাপ ধরে নিয়ে গিয়েছিলাম সেখানে সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে অবহেলা করা হয়েছে। প্রথমে হাসপাতালে কোনো ডাক্তার ও নার্স ডেকে পাওয়া যায়নি।

এলাকাবাসী জানায়, সাপে কাটা রোগিগুলো হাসপাতালে নিয়ে ইনজেকশন দেবার সাথে সাথে মারা যাচ্ছে। সব সমস্যার সমাধান হলেও এই সমস্যার সমাধান কেউ দিতে পারছেনা। এই শাখাকানন, কালাচ নামে পরিচিত সাঁপে কামড়ানো ব্যক্তিদের বেঁচে যাওয়ার রেকর্ড খুবই কম। তাহলে কেন এর এন্টিভেনম ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রাখা হচ্ছে না। আজ পযন্ত হাসপাতালে যেয়ে কেউ বাঁচতে পারিনি।

এদিকে সাঁপের উপদ্রব বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকাবাসী আতংকিত হয়ে পড়েছে। ২০ দিনের ব্যবধানে শৈলকুপা উপজেলায় সাঁপের কামড়ে ৪ শিশুসহ ৬জনের মৃত্যু হয়েছে। সাঁপের উপদ্রব বন্ধে ও সাঁপে কাটা রোগীর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি বলে জেলাবাসীর অভিযোগ।