২৫শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১০ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

তাইওয়ানের কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা জাপানের।

Editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬
তাইওয়ানের কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা জাপানের।

Manual3 Ad Code

তাইওয়ানের কাছাকাছি ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা জাপানের।

শেখ স্বপ্না শিমুঃ তাইওয়ানের কাছাকাছি ইয়োনাগুনি দ্বীপে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে জাপান। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এই ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি। এই ঘোষণায় চীনের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
জাপানের ওকিনাওয়ার ইয়োনাগুনি দ্বীপে কুবুরা বন্দরের দৃশ্য।

Manual3 Ad Code

প্রতিবেদন মতে, জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, বিমান ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ২০৩১ সালের মার্চের মধ্যে দেশটির পশ্চিমতম দ্বীপ ইয়োনাগুনিতে মোতায়েন করা হবে। তিনি আরও বলেন, ‘অবকাঠামো প্রস্তুতির অগ্রগতির ওপর বিষয়টি নির্ভর করবে। তবে আমরা ২০৩০ অর্থবছরকে লক্ষ্য রেখে পরিকল্পনা করছি।’

Manual7 Ad Code

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইয়োনাগুনি দ্বীপটি তাইওয়ান থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে। সেখানে ইতোমধ্যে এসডিএফের একটি ঘাঁটি রয়েছে। ২০১৫ সালের গণভোটে ঘাঁটি স্থাপনের পক্ষে ৬৩২ এবং বিপক্ষে ৪৪৫ ভোট পড়ে। বর্তমানে প্রায় ১৬০ সদস্য পাহাড়চূড়ার রাডার কেন্দ্র থেকে চীনা নৌবাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করেন।

Manual1 Ad Code

আরও পড়ুন: চীনের ‘জবরদস্তি’র বিরুদ্ধে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

আগামী সপ্তাহে দ্বীপটির প্রায় ১ হাজার ৫০০ বাসিন্দার কাছে ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করা হবে বলে জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী কোইজুমি।

তাইওয়ান নিরাপত্তা নিয়ে সম্প্রতি জাপানের নতুন প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির একটি মন্তব্য ঘিরে টোকিও ও বেইজিংয়ের মধ্যে কূটনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার এক মাস পরই গত নভেম্বর তিনি সংসদ সদস্যদের বলেন, চীন যদি তাইওয়ানে হামলা চালায় এবং তা জাপানের অস্তিত্বের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে জাপানের আত্মরক্ষাবাহিনী (এসডিএফ) জড়িয়ে পড়তে পারে।

Manual3 Ad Code

তাকাইচির এই মন্তব্যে চীন তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে এবং তাকে মন্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। তাকাইচি তাতে অস্বীকৃতি জানালে চীন তাদের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ না করার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি ‘পুনরায় সামরিকীকরণে’ সহায়তার অভিযোগে কিছু জাপানি কোম্পানির কাছে পণ্য রফতানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে।