৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

এক সপ্তাহ স্থির থেকে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ১৬, ২০১৯
এক সপ্তাহ স্থির থেকে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে পেঁয়াজের বাজার

Manual5 Ad Code

মঞ্জুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:-

Manual5 Ad Code

২ দিনের ব্যবধানে নানা অজুহাতে ইতোমধ্যে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ১৫ থেকে ২০ টাকা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও কাঁঠালবাগান বাজার ঘুরে পেঁয়াজের দামের এই চিত্র দেখা গেছে।

পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা বলছেন, মায়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের বড় একটি অংশ পচে যাচ্ছে। এর ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়িয়েছে আমদানিকারকরা।

Manual1 Ad Code

এছাড়া ভারত থেকে পেঁয়াজ আসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এই দুই কারণে আবারও দাম বেড়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১শ টাকা থেকে ১শ ৫ টাকায়। পাইকারি পর্যায়ে এই দাম ১শ টাকা।

আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা, যা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

অথচ বৃহস্পতিবারও দেশি পেঁয়াজ ৮৫ আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৭৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

Manual8 Ad Code

সম্প্রতি ভারত রফতানি বন্ধ করার পর কিছুদিন আগেই দফায় দফায় বাড়ে পেঁয়াজের দাম।

খুচরা বাজারে বিক্রি হয় ১শ থেকে ১শ ১০ টাকা কেজি দরে।

এরপর মায়ানমার ও তুরস্ক থেকে কিছু পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি এবং বাজার মনিটরিং করায় দাম ছিল কিছুটা নি¤œমুখী।

কিন্তু হঠাৎ করে পাইকারি বাজারে আবারও বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। কারওয়ান বাজারের পেঁয়াজের আড়ৎদার হেলাল আহমেদ বলেন, ভারত আর কোনো পেঁয়াজ দেবে না।

মায়ানমারেরগুলো পচে যায়। এ কারণে দাম বাড়ছে। তবে দামের এই গতিবেগ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

এই ব্যবসায়ী বলেন, দাম নিয়ন্ত্রণের চাবিকাঠি আমদানিকারকদের হাতে। তারা বেশি দামে বিক্রি করলে আমরাও বেশি রাখি।

এ বিষয়ে শ্যামবাজারের ব্যবসায়ী সমিতির প্রচার সম্পাদক ও পেঁয়াজ আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, আগে যে এলসিগুলো খোলা হয়েছে সেগুলোর ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পেঁয়াজ চলে এসেছে ভারত থেকে। নতুন এলসি খোলা হচ্ছে না।ভারত পেঁয়াজ দেয়া পুরোপুরি বন্ধ করে দিয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সঙ্কট মেটাতে মায়ানমার থেকে যে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে খুচরা বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত তার ৭৫ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে দাম বাড়ছে।

Manual1 Ad Code

মায়ানমারের পেঁয়াজ কেন পচে যাচ্ছে এর ব্যাখ্যা দিয়ে এই আমদানিকারক বলেন, জাহাজে করে পেঁয়াজ আসে। বন্দর থেকে খালাসে জটিলতার কারণে সময় বেশি লাগে। বন্দর থেকে মোকামে তারপর খুচরা বাজারে পৌঁছানো অবধি গরমে অনেক পেঁয়াজ পচে যায়। তাই বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। দাম আরও বাড়বে নাকি কমবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাবে না।

কারণ দামের উঠানামা নির্ভর করে সরবরাহের উপর। চট্টগ্রাম নগরী এবং উওর দক্ষিণ জেলার বিভিন্ন উপজেলার বেশি দামে পেঁয়াজ বিক্রি হওয়ার খবর পাওয়াগেছে।তাছাড়াও হেমায়েত পুর একেক দোকানে একেক দামে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে ৮০ টাকা থেকে ১০০ টাকা দাম বিক্রি হচ্ছে। এ প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ দাবী জানিয়েছে ভুক্তা রবিউল ইসলাম আজাদ সহ অনেকে দাবি জানিয়েছেন।