৩১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৭ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন বিচার চাইলেন কৃষকদল নেতা রুহুল আমিন।

admin
প্রকাশিত মে ৪, ২০২৫
ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন বিচার চাইলেন কৃষকদল নেতা রুহুল আমিন।

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি,

শেখ আসাদুজ্জামান আহমেদ টিটু।

Manual3 Ad Code

মসজিদের টাকা আত্মসাতের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগে দলকে জড়িয়ে মানববন্ধন করে সম্মানহানি এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করায় আয়োজকদের বিচার চাইলেন জাতীয়তাবাদী কৃষকদল জেলা কমিটির সদস্য মো. রুহুল আমিন (আলআমিন)।
রোববার দুপুরে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের কাছে এই বিচার দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে রম্নহুল আমিন বলেন, গাইবান্ধার কলেজ রোডের কনকরায় গোবিন্দপুর এলাকায় মসজিদের ১১ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে আমার বিরুদ্ধে ২ মে শুক্রবার মানববন্ধন করেন কতিপয় ব্যক্তি। প্রকৃতপক্ষে আমি আল আকসা সালাফি মসজিদের সভাপতি এবং আমার পৈতৃক তিন শতক জায়গায় ২০২৩ সালে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন এলাকার মানুষ। মসজিদের জায়গার দাম নির্ধারণ হয় ১৫ লাখ টাকা। এরমধ্যে দুই বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে মসজিদ কমিটি ৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করে। মাস ছয়েক আগে জমি দলিল করতে রেজিস্ট্রি অফিসে মসজিদের নাম নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়ে কমিটির লোকজন। ফলে জমি রেজিস্ট্রি স্থগিত হয়ে যায়। সদর থানা পুলিশের সালিশ বৈঠকে বিষয়টি মীমাংসার জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এমতাবস্থায় কমিটির সাবেক ক্যাশিয়ার মাসুম ও তার লোকজন টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগ এনে দলকে জড়িয়ে কমিটির সেক্রেটারি মোমিনসহ আমাকে অভিযুক্ত করে ভাড়াটে লোক দিয়ে মানববন্ধন করেন। এ সময় তারা মসজিদের সাইনবোর্ড ভেঙে ফেলে ও জুম্মার নামাজ পড়াতে আসা খতিব শায়েখ মো. বেলালকেও লাঞ্ছিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে রুহুল আমিন কৃষকদলকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগে দলের ভাবমূর্তি ও তার ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ন করায় মানববন্ধনের আয়োজক মাসুম ও তার লোকজনের বিচারের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোশারফ হোসেন বাবু, খতিব শায়েখ মো. বেলালসহ মসজিদ কমিটির সদস্যরা।

Manual7 Ad Code