১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ৩, ২০২০
সিলেটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

Manual7 Ad Code

সিলেটে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

Manual5 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

 

এম আব্দুল করিমঃ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক এড. মো. নাসির উদ্দিন খান বলেন ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি,হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বপরিবারে হত্যা করা হয়। কারাগারে নেয়া হয় জাতীয় চার নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমদ, এ এইচ এম কামারুজ্জামান এবং ক্যাপ্টেন মনসুর আলীকে।

Manual5 Ad Code

১৯৭৫ সালের ৩ রা নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অন্ধকার কুঠরীতে জাতীয় এ চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব শূন্য করা মিশনের অন্যতম ধাপ হিসেবে সংঘটিত হয় এই নির্মম জেল হত্যা। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের শত্রুরা সেদিন দেশমাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চার নেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকেগুলোকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে একাত্তরে পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিল।

Manual5 Ad Code

ইতিহাসে এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল তামাম পৃথিবীর মানুষ। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। আসলে হত্যাকারীরা এবং তাদের দোসররা চেয়েছিল পাকিস্তান ভাঙ্গার প্রতিশোধ নিতে, রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশটিকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আবর্তে নিক্ষেপ করতে। কিন্তু তাদের সেই ইস্পিত স্বপ্ন পূরণ হয়নি। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবারো ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে সিলট জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে সিলেট জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় এড. নাসির উদ্দিন খান এসব কথা বলেন।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আশফাক আহমদের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন- সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড.নিজাম উদ্দিন,অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক,সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এড. শাহ মোশাইদ আলী,সাইফুল আলম রুহেল,এড মাহফুজুর রহমান, ফারুক আহমদ, কবির উদ্দিন আহমদ,এড.রঞ্জিত সরকার,সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নাজনীন হোসেন,এমাদ উদ্দিন মানিক,আব্দুল হাসিব মনিয়া,আবদাল মিয়া, এড.আজমল আলী, শহিদুর রহমান শাহিন,শাহাদত রহিম চৌধুরী, এড. বদরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর, বুরহান উদ্দিন আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা শমসের জামাল,মজির উদ্দিন, এড. আব্বাস উদ্দিন, আব্দুল বারী,এড ফখরুল ইসলাম,গোলাপ মিয়া,এড. মনসুর রশীদ,ডা. নাজরা চৌধুরী,সালমা বাসিত,জেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি এজাজুল হক এজাজ, শামীমুর রশিদ চৌধুরী,জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি,জেলা স্বেচ্ছাসেবলীগের সভাপতি আসফর আজিজ, সাধারণ জালাল উদ্দিন কয়েস,জেলা তাতী লীগের আহবায়ক আলমগীর হোসেন,সুজন দেবনাথ,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন,সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য শাহনুর রহমান,মতিউর রহমান মতি, আমাতুল জেবিন রুবা, সুষমা সুলতানা রুহি, ইমাম উদ্দিন চৌধুরী।

উক্ত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আগে সিলেট জেলা পরিষদে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান জেলা আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় জাতীয় চার নেতা এবং হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন নেতৃবৃন্দ।