১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

১৪ বছরের মেয়ে সোনিয়াকে অপহরণ ও ধর্ষণের ১৭ দিন পর উদ্ধার, গ্রেফতার ০২

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৫, ২০২০
১৪ বছরের মেয়ে সোনিয়াকে অপহরণ ও ধর্ষণের ১৭ দিন পর উদ্ধার, গ্রেফতার ০২

Manual1 Ad Code

 

 

Manual5 Ad Code

ফয়ছল কাদির, বিভাগীয় ব্যুরোঃ- গত ১৬ই আগস্ট সিলেট নগরীর এসএমপির জালালাবাদ থানা এলাকা থেকে সোনিয়া আক্তার সুমি নামের একটি মেয়েকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সাদিক নামের এক অপহরণকারী উক্ত অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে এসএমপির জালালাবাদ থানায় জিডি করেছিলেন ভিকটিমের বাবা ।

Manual6 Ad Code

 

জিডি নং-৭২০,তাং-১৭/০৮/২০২০ ইংরেজি নিখোঁজ ভিকটিম একজন কিশোরী (১৪) বছর কে অত্র জিডির অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ)/কাজী জামাল উদ্দিন গত ০২/০৯/২০২০ তারিখ সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় কোতয়ালী থানাধীন হযরত শাহজালাল (রহঃ) মাজার হইতে উদ্ধার করেন।

 

Manual1 Ad Code

উদ্ধার পরবর্তী ভিকটিমকে জিজ্ঞাসাবাদে ভিকটিম জানায় যে, তাহাকে আসামী ১। সাদিকুর রহমান (২২), পিতা-মৃত আঃ মালিক, সাং-মইয়ারচর, থানা-জালালাবাদ, জেলা-সিলেট গত ১৬/০৮/২০২০ ইংরেজি দুপুর ১ টা ৩০ মিনিটের সময় অপহরন করিয়া পপি নামের একজন মহিলার বাসায় রাখিয়া তাহার ইচ্ছার বিরুদ্ধে গত ১৬/০৮/২০২০ ইং তারিখ হইতে ০১/০৯/২০২০ ইং তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষন করে।

 

এই সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা আব্দুর নুর বাদী হইয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করিলে জালালাবাদ থানার মামলা নং-০১, তাং-০৩/০৯/২০২০ ইং , ধারা-২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৭/৯(১)/৩০ রুজু করা হয়। বর্ণিত মামলা রুজু হওয়ার পরপরই মতিয়ার রহমান, সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার, জালালাবাদ থানা, এসএমপি, সিলেট, অফিসার ইনচার্জ, জালালাবাদ থানা, এসএমপি, সিলেট কর্তৃপক্ষ সহযোগীতায় ও দিক নির্দেশনায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই(নিঃ)/কাজী জামাল উদ্দিন সহ জালালাবাদ থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম সারারাত অভিযান পরিচালনা করিয়া গত ০৩/০৯/২০২০ ইং তারিখ সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটের সময় অত্র জালালাবাদ থানাধীন মইয়ারচর এলাকা হইতে মামলার আসামী ১।

 

সাদিকুর রহমান (২২), পিতা-মৃত আঃ মালিক, এবং সহায়তাকারী মহিলা পপি বেগম (৪৩) কে গ্রেফতার করা হয়। ভিকটিম বর্তমানে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওসিসি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছে এবং গ্রেফতারকৃত আসামী দ্বয়কে বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে ।

 

ভিকটিম সোনিয়ার বাবা ও মা খেটে খাওয়া মানুষ মাটি কেটে সংসার চালায় এবং মেয়ে সোনিয়াকে মাদ্রাসাতে লেখাপড়া করায় এই অসহায় পিতা মাতা । তাই উক্ত মামলার আসামি সাদিক ও তার সহযোগী পপি বেগমকে আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন ১৪ বছরের কিশোরী সোনিয়ার মা-বাবাসহ এলাকার মুরব্বিয়ান ও যুবসমাজ ।

Manual4 Ad Code