১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১লা রবিউল আউয়াল, ১৪৪৮ হিজরি

ঝিনাইদহে মিনু জোসনা টেইলার্স এন্ড ছিট বিতানে’র শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ৩, ২০২০
ঝিনাইদহে মিনু জোসনা টেইলার্স এন্ড ছিট বিতানে’র শুভ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Manual7 Ad Code

 

সুলতান আল একরাম,ঝিনাইদহ জেলা প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহে মিনু জোসনা টেইলার্স এন্ড ছিট বিতান নামে একটি দোকানের শুভ উদ্বোধনের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ উদ্বোধনের আয়োজন করা হয়।

Manual3 Ad Code

 

দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঝিনাইদহ আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা ঝিনাইদহ জেলা শাখার সভাপতি আমিনুর রহমান টুকু, মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থান জেলা শাখার সভাপতি জোয়ারদার সাজেদুর রহমান ফেটু, মুক্তি যোদ্ধা মশিউর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক বাবলু কুন্ডু, ঝিনাইদহ জেলা জাতীয় মহিলা সংস্থার ওমর ফারুক ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক বাবুল আক্তার প্রমুখ।

 

দেশের নারীরা এগিয়ে যাচ্ছেন দ্রুত। এর মধ্যে বেশিরভাগ নারীই স্বনির্ভরতার জন্য চাকরিতে যাচ্ছেন। আর কিছু নারী এগিয়ে আসছেন ঝুঁকিপূর্ণ পেশা ব্যবসায়। তারা নানা প্রতিকূলতাকে পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। নিজেদের পাশাপাশি অন্য নারীদেরও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করছেন।

Manual3 Ad Code

 

তেমনি ঝিনাইদহের ব্যাপারিপাড়া শাপলা চত্তরে বসবাসরত মেহেরুন নেছা মিনু নিজের সংসার দেখার পাশা পাশি সমাজের দুঃস্থ ও অসহায় নারীদের সেবাই প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

Manual5 Ad Code

 

তিনি বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা ঝিনাইদহ জেলা শাখার একজন কর্মী হিসাবেও কাজ করে আসছেন। দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে জোসনা নামে একজন মহিলার সাথে তার পরিচয় হয়।

 

Manual1 Ad Code

 

কালের বিবর্তনে পড়ে স্বামী সন্তান সব কিছু হারিয়েছে জোসনা। জোসনার করুন কাহিনী শুনে ফেলে দিতে পারেনি এই মিনু।সবাই তাকে মিনু আপা বলেই ডাকে। সুমিষ্টভাষী মমতাময়ী এই মিনু আপার মধ্যে যেন হারিয়ে যাওয়া সব কিছু পেয়েছে জোসনা। এমনি ভাবে সংবাদ কর্মীদের প্রত্যেকটা প্রশ্নের উত্তর দেন জোসনা।

 

এ বিসয়ে জানতে চাইলে মেহেরুন নেছা মিনু জোসনার কথা অনুযায়ী তার পরিচয় গোপন রাখার সর্তে বলেন, জোসনা’র জীবন কাহিনী তার কাছে খুলে বলার পর সে জোসনার প্রতি সদয় হন এবং তাকে নিজের পায়ে দাড় করানোর জন্য জোসনার দেওয়া কিছু টাকা এবং তার কিছু টাকা দিয়ে দুই’জনের নামে এই দোকানটি চালু করা হয়েছে।

 

দোকানটিতে মেয়েদের শেলাই মেশিনের কাজের প্রশিক্ষণসহ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত দক্ষ মহিলা কারিগর দ্বারা মহিলাদের ও বাচ্চাদের যে কোন প্রকার কাপড় তৈরি করা হবে।

 

এছাড়াও বিছানার চাদর, ওড়না, ও ছিট কাপড়সহ ছোট বাচ্চাদের বিক্রয় করা হবে বলেও তিনি জানান। মিনু আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের একটি সংস্থায় নারীদের শেলাই মেশিনের কাজে প্রশিক্ষণ দেন বলেও জানা গেছে।

 

এলাকার আমন্ত্রিত উপস্থিত বক্তারা এই নারী উদ্যোক্তা মিনুকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার জন্য সার্বিক সহযোগিতা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন। পরে মিলাদ মাহফিল ও দোকানটির উত্তর উত্তর সাফল্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়।