৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ ও উদ্যোক্তা বিষয়ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত জুলাই ৯, ২০১৯
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ ও উদ্যোক্তা বিষয়ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

Manual1 Ad Code

 

Manual7 Ad Code

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি:-
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও উদ্যোক্তা অন্বেষণ বিষয়ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সোমবার বেলা ১১টায় নাচোল উপজেলা প্রশাসন ও জোনাল রেশম সম্প্রসারণ কার্যালয় ভোলাহাট এর উদ্যোগে উপজেলা

Manual4 Ad Code

পরিষদ হল রুমে ফার্মিং পদ্ধতিতে রেশম চাষ সম্প্রসারণ ও উদ্যোক্তা অন্বেষণ বিষয়ক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবিহা সুলতানার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহীর মহাপরিচালক আব্দুল হাকিম, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের, নাচোল পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খাঁন ঝালু, বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য ( সম্প্র ও পেষণা) এম.এ মান্নান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জান্নাতুন নাঈম মুন্নি, নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মিন্টু রহমান, বাংলাদেশ রেশম গবেষনা ইঃ এর পরিচালক মুনসুর আলী।

Manual6 Ad Code

এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রেশম উন্নয়ন বোর্ডের উপ-পরিচালক সেলিম হাসান, সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ.কে.এম সাদিকুল ইসলাম, নেজামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল হক, কসবা ইউপি চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্পের উপজেলা কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান, উদ্যোক্তা শফিকুল ইসলাম প্রমূখ। বক্তারা, নাচোল উপজেলার কৃষকদের রেশম চাষের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন।

তারা বলেন, অন্যান্য ফসলের চেয়ে রেশম চাষ লাভজনক। ধান বা অন্যান্য ফসলের যে পরিমান খরচ বা পরিশ্রম দিতে হয় রেশমে তার অর্ধেক খরচ বা প্ররিশ্রম ব্যয় করতে হয়। কৃষকরা এখন সনাতনি পদ্ধতিতে রয়েগেছে। সময় ও বিশ্বের উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে হবে। নারী পুরুষ একযোগে কাজ করতে হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলে রেশম চাষের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। এ অঞ্চলে উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসলে রেশম চাষের বিপ্লব ঘটবে। এই অঞ্চলের মাটি ও বায়ু রেশম চাষ উপযোগী। তাই রেশম চাষ করলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি লাভ করবে। বক্তারা আরো বলেন, বছরে ৪/৫বার রেশম চাষ সম্ভব। কৃষক বিঘা প্রতি ৮০হাজার থেকে ১লক্ষ টাকা রোজগার করতে পারবে বলে জানান। তাই ধান ও আমসহ অন্যান্য ফসল চাষাবাদ কমিয়ে রেশম চাষ করার জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানান ।