২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১২ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

অবশেষে আমতলী থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা

admin
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২০
অবশেষে আমতলী থানার ওসির বিরুদ্ধে মামলা

Manual8 Ad Code

বরগুনা প্রতিনিধি :  বরগুনার আমতলী থানার পুলিশী হেফাজতে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি শানু হাওলাদারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যাহার হওয়া ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল বাশারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে পুলিশ।

 

Manual4 Ad Code

নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩ এর ১৫ ধারায় এ মামলা নেয়া হয় বলে জানা গেছে।

 

বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে বরগুনার পুলিশ সুপারের নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসানের দায়ের করা অভিযোগ আমতলী থানার ওসি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করেন।

 

Manual3 Ad Code

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সকালে অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান সাংবাদিকদের জানান,
গতকাল বুধবার রাতে বরগুনার পুলিশ সুপার তার সরকারি ই-মেইল মামলা নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

একই সঙ্গে এ মামলা নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হেলাল উদ্দিন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান যে অভিযোগ করেছেন, পুলিশ সুপারের নির্দেশে তা আমরা নথিভুক্ত (এফআইআর) করেছি।

 

এর আগে, গত ৩০ মার্চ রাতে সন্দেহভাজন আসামি শানু হাওলাদারের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় প্রত্যাহার হওয়া ওসি আবুল বাশারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন-২০১৩ এর ৬ ও ৭ ধারায় অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান এ অভিযোগ দায়ের করেন।

 

ওইদিন অ্যাডভোকেট ইশরাত হাসান বলেছিলেন, শানু হাওলাদার গত ৪ দিন হলো মারা গেছেন। এ পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। এ কারণে দেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমি লিখিতভাবে পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছি।

 

গত ২৬ মার্চ বরগুনার আমতলী থানা থেকে হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি শানু হাওলাদারের (৫৫) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

এ ঘটনায় ওই আবুল বাশারকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। একইসঙ্গে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনোরঞ্জন মিস্ত্রি ও সহকারী উপ-পরিদর্শক আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করেন জেলা পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন। ময়নাতদন্ত শেষে ২৬ মার্চ রাত ১১টার দিকে শানু হাওলাদারের মরদেহ তার পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

Manual5 Ad Code

 

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশ তিন লাখ টাকা দাবি করেছিল। সেই টাকা না পেয়ে শানুকে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়েছে। পুলিশের দাবি, শানু হাওলাদার আত্মহত্যা করেছেন।

 

Manual3 Ad Code

বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন এ ঘটনা তদন্ত করতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) তোফায়েল আহম্মেদকে প্রধান করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন।