৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

করোনা ভাইরাস রোধে সব দেশের যাত্রীদেরই পরীক্ষা করা হবে

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২০
করোনা ভাইরাস রোধে সব দেশের যাত্রীদেরই পরীক্ষা করা হবে

Manual4 Ad Code
বিমানবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার

 

Manual2 Ad Code

অভিযোগ ডেস্ক : প্রাণঘাতী করোনা ভাইসের সংক্রমণ ঠেকাতে বাংলাদেশে বিশ্বের যে কোনো দেশ থেকে কেউ প্রবেশ করলে বিমানবন্দরে ‘স্ক্রিনিংয়ের মধ্য দিয়ে যেতে হবে বলে জানিয়েছে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

 

Manual5 Ad Code

শনিবার (০৮ ফেব্রুয়ারি) আইইডিসিআরের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

 

বিমানবন্দরে কর্তব্যরত স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা এতদিন চায়না ইস্টার্ন, চায়না সাউদার্ন, ড্রাগন এয়ার ও ইউএস বাংলায় চীন থেকে আগত প্রত্যেক যাত্রীকে ফ্লাইটের কেবিন ক্রুদের মাধ্যমে মেডিকেল ডিক্লারেশন ফর্ম, স্বাস্থ্য তথ্য কার্ড ও প্যাসেঞ্জার লোকেটর ফরম বিতরণ করত।

Manual6 Ad Code

 

Manual8 Ad Code

এছাড়া বিমানবন্দরে নামার পর ফ্লাইটের যাত্রীদের কাছ থেকে তারা এসব ফরম সংগ্রহ করত এবং থার্মাল স্ক্যানার ও হ্যান্ড স্ক্যানার দিয়ে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হতো। মাত্র চারটি ফ্লাইটের যাত্রীরা এর আওতায় থাকায় সিংহভাগ যাত্রীই স্বাস্থ্য পরীক্ষার বাইরে থেকে গেছেন। তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন রোগতত্ত্ববিদরা।

 

চীন থেকে সরাসরি চারটি ফ্লাইটে যাত্রী এলেও বর্তমানে দৈনিক ১৩টি ফ্লাইটে চীনাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা বাংলাদেশে আসছেন। প্রতিবেশী দেশ ভারত, নেপাল, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের ফ্লাইটেও চীনা নাগরিকরা ঢাকা আসছেন।

 

এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এখন থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত সকল যাত্রীকেই মনিটর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ জানান, ২১ জানুয়ারি থেকে চীন থেকে আগত চারটি ফ্লাইটের যাত্রীদের মাঝে মেডিকেল ডিক্লারেশন ফর্ম, স্বাস্থ্য তথ্য কার্ড ও প্যাসেঞ্জার লোকেটর ফরম বিতরণ করার কাজ চলছিল। তবে তারা নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে দেখেছেন চারটি নয়, ১৩টি ফ্লাইটে চীনাসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিক আসছেন।

 

গত ২১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সর্বমোট ৮ হাজার ৩৯৬ জনের হেলথ স্ক্রিনিং করা হয়েছে। এ সময়ে আইইডিসিআর-এর ল্যাবরেটরিতে ৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কাউকে পাওয়া যায়নি।