৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

এক যুগ ধরে রাস্তাও ভাঙ্গা ব্রীজও ভাঙ্গা জনদুর্ভোগের শেষ নাই

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৯, ২০২০
এক যুগ ধরে রাস্তাও ভাঙ্গা ব্রীজও ভাঙ্গা জনদুর্ভোগের শেষ নাই

Manual3 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি,,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার)

Manual6 Ad Code

রাস্তা আছে ব্রিজও আছে
লাখ লাখ টাকা ব্যয় করে ব্রীজ কেন বা কার স্বার্থে প্রায় এক যুগ ধরে উত্তর খুঁজে পাচ্ছে না এলাকাবাসী।
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার ৮ মাধবপুর ইউনিয়নের তিন নং ওয়ার্ডে লঙ্গুর পার সংলগ্নে জিবতরী ‌ খালের উপর প্রায় চৌদ্দ বৎসর আগে নির্মিত ।ব্রিজ টি আজ হতে প্রায় এক যুগ আগে ব্রিজের উইং ওয়াল ও এর পাশের মাটি বন্যায় ভেঙে গেলে আজ পর্যন্ত রহস্যজনক কারণে আর কোন ধরনের মেরামত করা হয়নি। ফলে এ রাস্তায় চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় লোকজনের যার ফলে এলাকাবাসীর দুর্ভোগের শেষ নেই। সেই থেকে এই পর্যন্ত প্রায় ৮ কিলোমিটার দক্ষিণ পূর্ব দিকের আরেকটি রাস্তা হয়ে ১৫ থেকে ২০ টি গ্রামের লোকজন আসা যাওয়া করতে হচ্ছে। এতে তাদের দুর্ভোগের শেষ নেই। এলাকাগুলো কৃষি পণ্য উৎপাদন মুখী এলাকা হওয়াতে এলাকার লোকজন তাদের পণ্য হাট বাজারে পৌঁছাতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

Manual4 Ad Code

আজ ২৯ জানুয়ারি রোজ বুধবার সরেজমিনে গেলে এ প্রতিনিধির সাথে আলাপকালে স্থানীয় খোকন মিয়া রাজিব মালাকার সহ একাধিক লোকজন অভিযোগ করে বলেন, যেখানে রাস্তা সামান্য জায়গা ভাঙ্গা আছে। এবং দৃশ্যমান ব্রিজ এর গোড়ায় মাটি ভরাট করা হলেই আমরা বহুদূর ঘুরে আমাদের এলাকায় পৌঁছানো লাগতো না। এবং দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। তারা আরো জানান বিষয়টি লিখিত আকারে কয়েকবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানালেও কোন সুফল পাচ্ছেন না। এলাকাবাসী আরও জানান
উক্ত জিবতরী খাল হতে লিজের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে এ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় বালু বিক্রয় করা হয় কিন্তু ব্রিজ এবং রাস্তাটি ভাঙ্গা থাকার কারণে এ পথে যোগাযোগ বন্ধ থাকার কারণে উক্ত খালটি লিজ নিতে আগ্রহ ক্ষমতা হারাচ্ছে উক্ত এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তাটি ও ব্রিজ মেরামতের দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। মুঠোফোনে আলাপকালে স্থানীয় মেম্বার মোতাহির আলী বলেন যখন ব্রিজ টি ভেঙে পড়ে তখন আমি এই এলাকার মেম্বার ছিলাম এরপরেও বিষয়টি আমি কয়েকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি