২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চট্রগ্রাম ৮ আসনের দুই প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২০
চট্রগ্রাম ৮ আসনের দুই প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি অভিযোগ

Manual6 Ad Code

আব্দুল করিম,চট্রগ্রাম বিভাগীয় ব্যুরো প্রধান:

Manual3 Ad Code

পাল্টাপাল্টি হামলার অভিযোগ করেছেন চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেন উদ্দীন আহমেদ ও বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান। উভয়ই একে অন্যের বিরুদ্ধে কর্মী-সমর্থকের উপর হামলা ও কাপড়ে বানানো নৌকা ধ্বংসের অভিযোগ এনেছেন।

 

Manual5 Ad Code

এ নিয়ে শনিবার (৪ জানুয়ারি) বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান দুপুর সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেছেন। একইদিন বিকেল সাড়ে ৪টায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন আহমেদ।

 

বিএনপির প্রার্থী আবু সফিয়ান বলেন, শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন আহমেদের অনুসারী দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি বোরহান উদ্দীন ও উপজেলা শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল তালুকদার, উপজেলা ছাত্রলীগের মোনাফ এবং পৌরসভা যুবলীগের কাজী রাসেলের নেতৃত্বে ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী আমার গণসংযোগে পরিকল্পিতভাবে হামলা করে। এ ঘটনায় আমার চারজন নেতাসহ ১০ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

Manual1 Ad Code

 

আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। একইসঙ্গে সন্ত্রাসীরা তিনটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। অবাধ এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমি নির্বাচন কার্যালয়ে অভিযোগ দিয়েছি।

 

আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেন উদ্দীন আহমেদ বলেন, শনিবার রাত আড়াইটার সময় বোয়ালখালী পৌরসভা মেয়র ও বিএনপির নেতা আবুল কালাম আবু ও মোস্তাক আহমদ খানের নেতৃত্বে একদল বিএনপির সন্ত্রাসী বাঁশ ও কাপড় দিয়ে বানানো নৌকা পুড়িয়ে দিয়েছে। পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা হেলাল উদ্দীন ও মো. এহেসান এ ঘটনার প্রত্যক্ষ স্বাক্ষী। এছাড়াও পৌরসভার পশ্চিম কধুরখীল পাঠানপাড়ায় বাঁশ দিয়ে টাঙানো আরেকটি নৌকা পুকুরে ফেলে দেয় তারা। এসব নিয়ে আমি নির্বাচন কার্যালয়ে অভিযোগ করেছি।

 

Manual4 Ad Code

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন ও বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ান অভিযোগ করেছেন। ইতোমধ্যে আমি বোয়াখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকমর্তা নেয়ামত উল্লাহকে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছি। তিনি তদন্ত করে জানাবেন।