সরকার হারাতে পারে বড় ধরনের রাজস্ব!
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলায় লঞ্চঘাট ইজারাদারের বেহাল দশা। সরকার হারাতে পারে বড় ধরনের রাজস্ব। লঞ্চঘাট ইজারাদারের পক্ষে শাহীন দফাদার প্রতিবেদ’কের মুখোমুখি হলে তিনি জানায়, ৫৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় গলাচিপায় লঞ্চ ঘাটের ইজারা আনা হয়েছে। ডুবোচরের কারনে লঞ্চ ২ ঘন্টা আগে গলাচিপা লন্চঘাট থেকে ছেড়ে চলে যায়। যাত্রী কমথাকায় আমরা ইজারা নিয়ে বিপাকে পড়েছে ইজারাদার।
লঞ্চ ইজাদার মোঃফারুক দফাদার বলেন, প্রতিদিন গলাচিপা থেকে ঢাকা গামী একটি লঞ্চ চলাচল করে। প্রতি হারে আমাদের ইজারাদারদের লঞ্চ ঘাটে ১৫ হাজার ৩ শত ৩৩ টাকা প্রয়োজন হয় সেখানে আমরা প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টাকা আমাদের কালেকশন আসে। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে ভবিষ্যতে কারও পক্ষেই এই লঞ্চ ঘাটের ইজারা চালানো সম্ভব হবে না।
এই সমস্যা শেষ হতে আর যে কতদিন লাগবে, বুঝে উঠতে পারছি না। এ বিষয় নিয়ে ইব্রাহিম দফাদার ও কালু দফাদার বলেন, সকল ছাত্র-ছাত্রী ও সরকারী কর্মকর্তাদের কাছ থেকে লঞ্চ ঘাটে টোলের কোন টাকা নেওয়া হয় না। গলাচিপা পৌর কাউন্সিলর বাবু সুলিশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেণ, ১৫ হাজার ৩ শত ৩৩ টাকা প্রতিদিন ইজারা উঠাতে হয় তা না হলে ইজারাদার বিপাকে পড়বে। এ হারে চলতে থাকে ভবিষ্যতে কেউ এই ঘাটে ইজারা নিয়ে আসবে না। সরকার হারাতে পারে বড় ধরনের রাজস্ব। গলাচিপা পৌর মেয়র আহসান উল হক তুহিন বলেন, গলাচিপায় লঞ্চ ঘাটের ইজারা নিয়ে ইজারাদারদের অনেক সমস্যা হচ্ছে। বিষয়টি উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানাবো।
এ বিষয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মু. শাহীন শাহ্ বলেণ, গলাচিপা লঞ্চ ঘাটটি ৫৫ লক্ষ ২০ হাজার টাকায় ইজারা নিয়ে বিপাকে পড়েছে বর্তমান ইজারাদার এমনটাই জানান তিনি।