সুমন মল্লিক,পিরোজপুর থেকে :- পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া বন্দরে জলাতঙ্ক রোগে আক্রন্ত গাভী জবাই করার সময় কসাই আব্দুল কুদ্দুস মোল্লা (৪০) কে দশ হাজার টাকা জরিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. তৌহিদুল ইসলাম।
কুদ্দুস মোল্লা উপজেলার পৌর শহরের জামিরতলা এলাকার বাসিন্দা মো. ইউনুস মোল্লার ছেলে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.নাজমুল আলম জানান, গোপনে সংবাদ পেয়ে বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. তৌহিদুল ইসলাম কে
দেখার নির্দেশ দিলে থানা পুলিশের সহায়তায় ঘটনাস্থল থেকে গাভী সহ কসাই কুদ্দুসকে ভূমি অফিস প্রাঙ্গনে নিয়ে এসে ভ্রাম্যমান আদালত
বসিয়ে পশু রোগ আইন ২০০৫ এর বিধান অনুযায়ী দশ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পরে গরুটি উপজেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য প্রেরণ করা হয়।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা সোমা রানী জানান, ইনজেকশন পুশ করে গরুটি মৃত্যু নিশ্চিত করে পোনা নদীর কিনারে মাটির নিচে পুতে রাখা হয়েছে।
এব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার পরে পশুটি উদ্ধার করা হয়েছে। এর সাথে জড়িত ব্যক্তিকে দশ হাজার টাকা জরিমান করা হয়।
পশুটি ইনজেকশানের মাধ্যমে মৃত্যু নিশ্চিত করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।
এদিকে গবাদি পশুর শরীলে জলাতঙ্ক, হাম, ক্যান্সার, গুটি বসন্ত সহ বিভিন্ন রোগ থাকে।
এসব পশু জবাই করা এবং বিক্রি করা আইনত নিষিদ্ধ। এক শ্রেনীর অসাধু মাংস ব্যবসায়ী বয়স্ক ও রোগাক্রান্ত পশুর মাংস হাটে-বাজারে বিক্রি করছে।
যার ফলে গৃহিনীদের হাতে কাটা বা ক্ষত আছে এই মাংস তাদের সেই সাথে স্পর্শ করলে জলাতঙ্ক রোগ হতে পারে। এছাড়াও এই মাংস বেশি শিদ্ধো না হলে যারা এই মাংস খাবে তাদেরও এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।