২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৬ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ভোলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতে সংবাদ সম্মেলনের নেপথ্যে কাদের মোল্লা

admin
প্রকাশিত অক্টোবর ২৬, ২০২১
ভোলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতে সংবাদ সম্মেলনের নেপথ্যে কাদের মোল্লা

Manual7 Ad Code

ভোলায় তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতে সংবাদ সম্মেলনের নেপথ্যে কাদের মোল্লা (!)

Manual4 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার : ভোলার লালমোহনে অর্ধশত কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে রোববার (২৪ অক্টোবর) ভোলা প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ আর্মি ঠিকাদার হোসেন মিজানের বিরুদ্ধে করা সংবাদ সম্মেলনটি ষড়যন্ত্র বলে দাবি করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

এদিকে রাজধানীর কদমতলীর মুরাদপুরের ধোলাইরপাড় আয়রণ মার্কেটের লোহা ব্যবসায়ী এমএমএ কাদের মোল্লার বিরুদ্ধে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন ঠিকাদার হোসেন মিজান। অভিযোগটি তদন্ত করতে ডিএমপি কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Manual2 Ad Code

সোমবার (২৫ অক্টোবর) ঐশী এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার স্বাক্ষরিত এক প্রতিবাদ বিজ্ঞপ্তিতে হোসেন মিজান বলেছেন, ২৪-২৫ অক্টোবর ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকসহ ভোলা জেলার স্থানীয় দৈনিক এবং অনলাইন গণমাধ্যমে ‘হোসেন মিজানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদ সম্মেলনটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে।
অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। প্রকাশিত সংবাদের বিষয়েও আমার বক্তব্য নেওয়া হয়নি। আমি বাংলাদেশ আর্মি ঠিকাদার।

Manual4 Ad Code

হোসেন মিজান দাবি করেন, প্রতিপক্ষ কদমতলীর লোহা ব্যবসায়ী এমএমএ কাদের মোল্লা (আমার চাচা) আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের মিথ্যা অভিযোগে ভোলা এবং ঢাকার আদালতে একাধিক মামলা করেও খ্যান্ত হননি। প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আমাকে ফাঁসাতে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।
ভোলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করা গিয়াস উদ্দিন মোল্লা (কাদেরের ভাতিজা) এবং তার স্ত্রী আমার বিরুদ্ধে মারপিট ও নারী নির্যাতনের মিথ্যা দুটি মামলা করে। মিথ্যা অভিযোগের একটি মামলা ইতিমধ্যে খারিজ করে দিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত।

হোসেন মিজান আরও বলেন, আমার চাচা এমএমএ কাদের মোল্লা আমাকে কদমতলীর মুরাদপুরের আয়রন মার্কেটে তার অফিসে ডেকে জোরপূর্বক সাদা স্ট্যাম্পে ও ফাঁকা চেকে স্বাক্ষর নিয়েছে। সেই বিষয়ে কদমতলী থানায় সাধারণ ডায়েরী এবং ঢাকার গোয়েন্দা পুলিশের ওয়ারী শাখাসহ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছি। তদন্ত কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করতেই সংবাদ সম্মেলনে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।
আমি সৌদি আরবে পবিত্র ওমরাহ পালনে এসেছি, সেই সুযোগটাই প্রতিপক্ষরা নিয়েছেন। প্রকাশিত সংবাদের পূর্বে আমার বক্তব্য নিলেই বাস্তব সম্পর্কে অবহিত করার সুযোগ পেতাম। টাকা আত্মসাতের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমার প্রতিষ্ঠান ঐশী এন্টারপ্রাইজের ম্যানেজার পাভেল হাওলাদারের মুঠোফোনে বক্তব্য নিলেও সংবাদে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অভিযোগ যাচাই করে সাংবাদিকদের সঠিক সংবাদ প্রকাশের অনুরোধ জানিয়েছেন হোসেন মিজান।