পুনম শাহরীয়ার ঋতু, ঢাকা:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিরা বুঝতে পেরেছিল বঙ্গবন্ধুর রক্তের ছিটা ফুটাও যদি থাকে তাকে কেন্দ্র
করে বাংলার মানুষ আবার ঘুরে দাড়াবে।
তাদের ধারনায় ঠিক। আমাদের মাননীয়
প্রধান মন্ত্রী দেশ রত্ম শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলার মানুষ আবার ঘুড়ে দাড়িয়েছে। জিয়া রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনের সাথে জড়িত। সে বলেছিল
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না। তিনি অধ্যাদেশ জারি করল।
সবকিছুর বিচার হয় কিন্ত জাতির পিতাকে হত্যা করা হল তার বিচার চাওয়া যাবে না। বিচার করা যাবেনা। যারা বঙ্গবন্ধুর খুনি তাদের মন্ত্রী সভায় বড় বড় পদে বসিয়ে দিলেন। আমি মহান সংসদে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সামনেই বলেছি বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার হয় নাই। আংশিক হয়েছে।
যারা সরাসরি গুলি করে হত্যা করেছে তাদের বিচার হয়েছে। কিন্ত যারা মদদদাতা যারা এ খুন করার
জন্য আয়োজন করেছে তাদের বিচার হয় নাই।
বঙ্গবন্ধুকে যেদিন খুন করে সেদিন সারাদিন পাকিস্থানী দূতাবাস ঢাকায় ,আমেরিকান দূতাবাস
সারা রাত খুলাছিল। রাতের বেলায় কি কাজ ছিল। বঙ্গবঙ্গুর প্রকৃত খুনিরা একটা অংশ এখনো পর্দার আড়ালে। কমিশন গঠন করে তাদের মুখোশ
উন্মোচন করতে হবে।
বঙ্গবন্ধুর রক্তের উত্তরাধীকারী যিনি ৪০ বছর পর
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে ফাঁসি দিতে পারেন। তাহলে আজকে ৫০ বছর পর আসল খুনিদের বের করার জন্য ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়াা মাহফিলে মৌচাক সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মন্ত্রী
বুধবার সন্দ্যায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি ওই সব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গাজীপুর জেলা আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক এস এম আলতাব হোসেন।
সার্বিক অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন গাজীপুর জেলা
আওয়ামী যুবলীগের যুগ্মআহবায়ক সেলিম আজাদ,বক্তব্য রাখেন উপজেলা
আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মুরাদ কবীর, গাজীপুর জেলা আওয়ামীলীগের
যুগ্ম সম্পাদক সিকদার মোশারফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আকবর আলী, দেলোয়ার হোসেন দেলু, সিকদার জহিরুল ইসলাম জয়, মফিজুর রহমান লিটন, লোকমান হোসেন প্রমুখ।