১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২২শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

গাইবান্ধায় জামায়াতের চার আসনে জয়জয়কার, একটিতে বিএনপি।

Editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬
গাইবান্ধায় জামায়াতের চার আসনে জয়জয়কার, একটিতে বিএনপি।

Manual3 Ad Code

গাইবান্ধায় জামায়াতের চার আসনে জয়জয়কার, একটিতে বিএনপি।

বিশেষ প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অনুষ্ঠিত হওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা জেলার নির্বাচনী লড়াইয়ে চমক দেখিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতেই জামায়াতের প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। বাকি একটি আসনে জয়লাভ করেছে বিএনপি।

Manual7 Ad Code

​বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিনভর উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এরপর রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, গাইবান্ধার অধিকাংশ আসনেই লড়াই হয়েছে প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে।

Manual3 Ad Code

​গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ): এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাজেদুর রহমান মাজেদ বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার জিয়াউল মোহাম্মদ আলী (ধানের শীষ) পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট।

Manual8 Ad Code

​গাইবান্ধা-২ (সদর): সদর আসনে জামায়াতের আব্দুল করিম ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আনিসুজ্জামান খান বাবু পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট।

​গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী): এই আসনে জয় পেয়েছেন জামায়াতের আবুল কাওছার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট।

​গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ): জেলার একমাত্র আসন হিসেবে এখানে বিএনপি জয় পেয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকে মোহাম্মদ শামীম কায়সার ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের ডা. আব্দুর রহিম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট।

​গাইবান্ধা-৫ (ফুলছড়ি-সাঘাটা): যমুনা পাড়ের এ আসনে জামায়াত মনোনীত আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৮৩ ভোট।

গাইবান্ধার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অবাধ ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রেখেছে।

Manual2 Ad Code

​জেলার পাঁচটি আসনেই উৎসবের আমেজে ভোট দিয়েছেন ভোটাররা। ফলাফল ঘোষণার পর জামায়াত ও বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেলেও সার্বিক পরিবেশ ছিল শান্ত।